২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘বাঙ্গলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কর্তৃক ১৯৬৫ সালে রচিত হয়। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও গবেষক ছিলেন। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত গবেষণামূলক গ্রন্থ হলো ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’।
Explanation
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্যধর্মী উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। অমিত ও লাবণ্য এই উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র। অন্যদিকে বলাকা, ডাকঘর ও কালান্তর যথাক্রমে কাব্য, নাটক ও প্রবন্ধ।
Explanation
‘ধূমকেতু’ কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকায় প্রকাশিত ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতার জন্য তিনি কারাবরণ করেছিলেন। এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Explanation
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘রাখালী’, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থেই তাঁর বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতাটি সংকলিত রয়েছে। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট।
Explanation
‘রাইফেল রোটি আওরাত’ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত আনোয়ার পাশার একটি বিখ্যাত উপন্যাস। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন এবং পরবর্তীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে নিহত হন।
Explanation
‘জঙ্গম’ অর্থ যা গতিশীল বা গমন করতে পারে। এর বিপরীত শব্দ হলো ‘স্থাবর’, যার অর্থ যা নিশ্চল বা এক স্থানে স্থির থাকে। বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্ণয়ে অর্থের সঠিক প্রয়োগ জানা অত্যন্ত জরুরি।
Explanation
‘উৎকর্ষ’ শব্দটি নিজেই বিশেষ্য পদ, এর সাথে নতুন করে ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত করার প্রয়োজন নেই। তাই ‘উৎকর্ষতা’ শব্দটি প্রত্যয়জনিত কারণে অশুদ্ধ। এর শুদ্ধ রূপ হবে ‘উৎকর্ষ’ অথবা ‘উৎকৃষ্টতা’।
Explanation
এই বাক্যে ‘না’ শব্দটি সরাসরি নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়নি, বরং বক্তা শ্রোতার পূর্বের কথার সত্যতা যাচাই বা প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এখানে ‘না’ প্রশ্নবোধক বা নিশ্চয়তা জিজ্ঞাসার অর্থে ব্যবহৃত।
Explanation
‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের রচিত তিনটি উপন্যাসের মধ্যে অন্যতম। তাঁর রচিত অন্য দুটি উপন্যাস হলো ‘বাঁধন হারা’ এবং ‘কুহেলিকা’। আলেয়া তাঁর নাটক এবং ঝিলিমিলি ও মধুমালা যথাক্রমে নাটক ও গীতিনাট্য।
Explanation
‘মা যে জননী কান্দে’ পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যে গ্রামবাংলার শাশ্বত মাতৃত্বের রূপ ও সন্তানের জন্য মায়ের বেদনার চিত্র ফুটে উঠেছে। এটি কবিতার আঙ্গিকে রচিত।