২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

100 Total Questions
Back to Category
A
সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)
B
কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)
C
বহিপীর (নাটক)
D
মহাশ্মশান (নাটক)

Explanation

‘বহিপীর’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা পীরপ্রথা ও সামাজিক কুসংস্কার নিয়ে লেখা। অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সঠিক। সোজন বাদিয়ার ঘাট হলো কাব্য, কাঁদো নদী কাঁদো হলো উপন্যাস এবং মহাশ্মশান হলো মহাকাব্য।

A
স্বভাব নষ্ট করা
B
স্পর্ধা বাড়া
C
ফাঁকি দেওয়া
D
কোনো উপায়ে

Explanation

এখানে ‘মাথায় হাত বুলানো’ একটি বিশিষ্টার্থক বাগধারা, যার অর্থ হলো কাউকে ফাঁকি দেওয়া বা ঠকানো। বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থে শরীরের অঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে আলঙ্কারিক অর্থে ‘ফাঁকি দেওয়া’ বুঝিয়েছে।

A
পথের দাবী
B
নিষ্কৃতি
C
চরিত্রহীন
D
দত্তা

Explanation

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। এটি বিপ্লবী ও স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হওয়ায় তৎকালীন সরকার এটিকে রাজদ্রৌহী হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ করেছিল।

A
আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে
B
ভবিষ্যতের বাঙালি
C
উন্নত জীবন
D
সভ্যতা

Explanation

‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ এস ওয়াজেদ আলী রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। এই গ্রন্থে তিনি বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ, সংস্কৃতি ও জাতীয়তাবাদ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁর রচনায় উদার মানবতাবোধ ও চিন্তাশীলতার প্রকাশ পায়।

A
কষ্ট
B
উপনিষৎ
C
কল্যাণীয়েষু
D
আষাঢ়

Explanation

‘আষাঢ়’ শব্দটিতে স্বভাবতই বা নিত্য মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। ণত্ব ও ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে কিছু শব্দে কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই ষ হয়, এগুলোকে নিত্য মূর্ধন্য-ষ বলে। যেমন: আষাঢ়, ষড়ঋতু, রোষ, কোষ ইত্যাদি।

A
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B
কাজী নজরুল ইসলাম
C
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
D
প্রমথ চৌধুরী

Explanation

উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর। তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক। তিনি মনে করতেন ভাষা হওয়া উচিত জীবন্ত এবং মুখের কথার কাছাকাছি, কৃত্রিম সাধু ভাষার গাম্ভীর্য বর্জন করে ভাষার সহজবোধ্যতার ওপর তিনি জোর দেন।

A
সমক্ষ
B
পরোক্ষ
C
প্রত্যক্ষ
D
নিরপেক্ষ

Explanation

‘অক্ষির সমীপে’ বাক্য সংকোচন করলে হয় ‘সমক্ষ’। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। অন্যদিকে ‘অক্ষির অগোচরে’ হলো ‘পরোক্ষ’ এবং ‘ইন্দ্রিয় দ্বারা যা লাভ করা যায়’ তা হলো ‘প্রত্যক্ষ’।

A
অব্যয় ও শব্দাংশ
B
নতুন শব্দ গঠনে
C
উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
D
ভিন্ন অর্থ প্রকাশে

Explanation

উপসর্গ ধাতুর বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, আর প্রত্যয় ধাতুর বা শব্দের শেষে বসে। অর্থাৎ মূল পার্থক্য হলো এদের অবস্থান—উপসর্গ থাকে সামনে, আর প্রত্যয় থাকে পিছনে।

A
বিশেষণ
B
অব্যয়
C
সর্বনাম
D
ক্রিয়া

Explanation

এখানে ‘কী’ শব্দটি কোনো কিছু জানার জন্য প্রশ্নের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বসেছে, তাই এটি প্রশ্নবাচক সর্বনাম। দীর্ঘ ই-কারান্ত ‘কী’ সাধারণত সর্বনাম বা বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

A
কর্তৃকারকে সপ্তমী
B
কর্মকারকে সপ্তমী
C
অপাদান কারকে তৃতীয়া
D
অধিকরণ কারকে সপ্তমী

Explanation

‘আকাশে’ শব্দটি স্থান নির্দেশ করছে। ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। আর শব্দের শেষে ‘এ’ বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি। সুতরাং এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।