২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

100 Total Questions
Back to Category
A
১৩ টি
B
১০ টি
C
১২ টি
D
১১ টি

Explanation

বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি। এগুলো হলো: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।

A
কাহ্নপা
B
চেণ্ডনপা
C
লুইপা
D
ভূসুকুপা

Explanation

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ। আর চর্যাপদের আদি কবি বা প্রাচীনতম কবি হিসেবে লুইপাকে গণ্য করা হয়।

A
চলিত রীতি
B
সাধু রীতি
C
মিশ্র রীতি
D
আঞ্চলিক রীতি

Explanation

সাধু রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি হয়। পক্ষান্তরে, চলিত রীতিতে তদ্ভব শব্দের ব্যবহার বেশি দেখা যায়।

A
অক্ষয় দত্ত
B
মার্শম্যান
C
ব্রাশি হ্যালহেড
D
রাজা রামমোহন

Explanation

বাংলা ভাষায় বা বাংলা হরফে প্রথম ব্যাকরণ (গৌড়ীয় ব্যাকরণ) রচনা করেন রাজা রামমোহন রায় (১৮৩৩)। (যদিও হ্যালহেড ইংরেজিতে বাংলা ব্যাকরণ লিখেছিলেন)।

A
সাত সাগরের মাঝি
B
পাখির বাসা
C
হাতেমতাই
D
নৌফেল ও হাতেম

Explanation

মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ হলো 'সাত সাগরের মাঝি' (১৯৪৪)।

A
আলাওল
B
সৈয়দ সুলতান
C
মুহম্মদ খান
D
শাহ মুহম্মদ সগীর

Explanation

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম বা প্রথম বাঙালি মুসলমান কবি হলেন শাহ মুহম্মদ সগীর। তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'ইউসুফ-জুলেখা'।

A
সৈয়দ শামসুল হক
B
শওকত ওসমান
C
সৈয়দ মুজতবা আলী
D
ফররুখ আহমদ

Explanation

রম্যরচয়িতা ও বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ হলো ‘চাচা কাহিনী’। এটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়।

A
ফজিলাতুন্নেছা
B
ফয়জুন্নেছা
C
বেগম রোকেয়া
D
শামসুন্নাহার

Explanation

শামসুন্নাহার মাহমুদ নারী জাগরণ ও সাহিত্যচর্চায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন এবং তিনি কবিও ছিলেন। বেগম রোকেয়া 'অগ্রদূত' হিসেবে পরিচিত হলেও প্রশ্নে 'কবি' হিসেবে শামসুন্নাহারকেই নির্দেশ করা হয়েছে।

A
জ্ঞানদাস
B
দীন চণ্ডীদাস
C
বড়ু চণ্ডীদাস
D
দীনহীন চণ্ডীদাস

Explanation

মধ্যযুগের আদি নিদর্শন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা হলেন বড়ু চণ্ডীদাস। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এটি আবিষ্কার করেন।

A
প্রভু যিশুর বাণী
B
কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
C
ফুলমণি ও করুণার বিবরণ
D
মিশনারি জীবন

Explanation

বাংলা গদ্যের প্রাথমিক যুগে কথ্য রীতির মিশ্রণে রচিত আদি গ্রন্থ হিসেবে 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ' (১৭৩৪) কে ধরা হয়। এটি পর্তুগিজ মিশনারি মানোএল দা আস্সুম্পসাঁউ রচনা করেন।