৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

100 Total Questions
Back to Category
A
২০০৭
B
১৯০৭
C
১৯০৯
D
১৯১৬

Explanation

চর্যাপদ ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে আবিষ্কার করেন। এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন এবং বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন-সংগীত।

A
বীরবল
B
ভিমরুল
C
অনিলা দেবী
D
দেবদাস

Explanation

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘অনিলা দেবী’ ছদ্মনামে নারীবাদী প্রবন্ধ ও সাহিত্য রচনা করতেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছদ্মনামের মধ্যে এটি অন্যতম, যা তিনি তাঁর দিদির নামানুসারে গ্রহণ করেছিলেন।

A
প্যারীচাঁদ মিত্র
B
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
C
দামোদর বন্দ্যোপাধ্যায়
D
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

Explanation

প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। ‘আলালের ঘরের দুলাল’ তাঁর বিখ্যাত রচনা হলেও ‘আধ্যাত্মিকা’ উপন্যাসটিও তাঁরই লেখা, যা ১৮৮০ সালে প্রকাশিত হয়।

A
সূর্য
B
সমুদ্র
C
যুদ্ধক্ষেত্র
D
সৈনিক

Explanation

‘অনীক’ শব্দটি সংস্কৃত মূল থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো সৈন্যদল, যুদ্ধক্ষেত্র বা সেনানী। সাহিত্যে বা কবিতায় অনেক সময় যুদ্ধের আবহ বা সৈনিক বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

A
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
B
ষষ্ঠী তৎপুরুষ
C
পঞ্চমী তৎপুরুষ
D
উপমান কর্মধারয়

Explanation

জ্যোৎস্নারাত-এর ব্যাসবাক্য হলো ‘জ্যোৎস্না শোভিত রাত’। এখানে মাঝখানের ‘শোভিত’ পদটি লোপ পেয়েছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

A
সাদৃশ্য
B
স্নায়ুতন্ত্র
C
শারীরবিদ্যা
D
অঙ্গ-সঞ্চালন

Explanation

Anatomy বা শারীরবিদ্যা হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে জীবদেহের গঠন ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে আলোচনা করা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

A
গোবিন্দ দাস
B
কায়কোবাদ
C
কাহ্ন পা
D
ভুসুকু পা

Explanation

চর্যাপদের কবি ভুসুকু পা তাঁর রচিত পদের মাধ্যমে নিজেকে বাঙালি বলে দাবি করেছেন। তাঁর বিখ্যাত উক্তি ‘আজি ভুসুকু বঙ্গালী ভইলী’—এর মাধ্যমে তাঁর বাঙালি সত্তার পরিচয় পাওয়া যায়।

A
অর্ণব
B
রাতুল
C
অর্ক
D
জলধি

Explanation

‘আফতাব’ একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ সূর্য। এর সমার্থক শব্দ হলো অর্ক, ভানু, রবি, বা দিবাকর। অপশনগুলোর মধ্যে ‘অর্ক’ অর্থও সূর্য, তাই এটিই সঠিক উত্তর।

A
বাগ + অম্বর
B
বাগ + আড়ম্বর
C
বাক্‌ + অম্বর
D
বাক্‌ + আড়ম্বর

Explanation

বাগাড়ম্বর-এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ‘বাক্‌ + আড়ম্বর’। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ক্-এর পরে স্বরবর্ণ থাকলে ক্ স্থানে গ্ হয় (বাক্ > বাগ), তাই এটি বাগাড়ম্বর হয়েছে।

A
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B
কুসুমকুমারী দাস
C
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
D
কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

Explanation

এই বিখ্যাত চরণটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘আমার পণ’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি শিশুশিক্ষার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা যা নীতিশিক্ষা ও সৎ জীবনযাপনের কথা বলে।