৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
“গিন্নি” শব্দটি সংস্কৃত ‘গৃহিণী’ শব্দ থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাই এটি অর্ধ-তৎসম শব্দ। জ্যোৎস্না > জছনা, শ্রাদ্ধ > ছেরাদ্দ এগুলোও অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ।
Explanation
শ্রদ্ধা = শ্রৎ + √ধা + অ + আ। এখানে ‘শ্রৎ’ হলো উপসর্গ স্থানীয় অব্যয়, ‘ধা’ ধাতু এবং ‘অ’ ও ‘আ’ (টাপ্) হলো প্রত্যয়।
Explanation
“পুষ্পসৌরভ” এর ব্যাসবাক্য হলো ‘পুষ্পের সৌরভ’। এটি ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। পূর্বপদে বিভক্তি (এর/র) লোপ পেলে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হলে তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
Explanation
“সূর্য” শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ‘অর্ক’। সূর্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দ: আদিত্য, দিবাকর, ভানু, রবি, দিনেশ ইত্যাদি। অর্ণব অর্থ সমুদ্র, প্রসূন অর্থ ফুল, পল্লব অর্থ পাতা।
Explanation
“হ্ম” যুক্তবর্ণটি হ্+ম (হ-এ ম) যোগে গঠিত। যেমন: ব্রাহ্মণ, ব্রহ্মপুত্র। অন্যদিকে ক্+ষ = ক্ষ, জ্+ঞ = জ্ঞ।
Explanation
“সদ্যোজাত” শব্দটি বিসর্গ সন্ধি দ্বারা গঠিত। সন্ধি বিচ্ছেদ: সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত। বিসর্গের পর অঘোষ ধ্বনি থাকলে ও-কার হয়।
Explanation
“ব্যক্ত” (প্রকাশিত) শব্দের বিপরীত শব্দ হলো “গূঢ়” (গোপন বা অপ্রকাশিত)। গ্রাহ্য-এর বিপরীত ত্যক্ত বা অগ্রাহ্য, দৃঢ়-এর বিপরীত শিথিল।
Explanation
“মোড়ক” (মুড়্+অক) বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ। ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে। চামার, ধারালো, পোষ্টাই—এগুলো তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
Explanation
সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকে: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। “আসক্তি” (addiction) বাক্যের কোনো গুণ নয়, সঠিক শব্দটি “আসত্তি” (নৈকট্য/order)।
Explanation
বড়ু চণ্ডীদাস রচিত “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্যটি গঠনরীতিতে মূলত একটি “নাট্যগীতি” বা উক্তি-প্রত্যুক্তিমূলক কাব্য। এতে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি—এই তিন চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।