৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘আনোয়ারা’ মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। এটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পটভূমিতে রচিত এ উপন্যাসে আনোয়ারার চরিত্র মাধুর্য ও সহিষ্ণুতা ফুটে উঠেছে।
Explanation
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর স্থান পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমন: পিশাচ > পিচাশ, বাক্স > বাস্ক। এখানে 'শ' এবং 'চ' এর স্থান পরিবর্তন ঘটেছে। রতন ও মুলুক হলো স্বরভক্তির উদাহরণ।
Explanation
‘আবীর’ শব্দের অর্থ সুগন্ধি রঞ্জক দ্রব্য বা ফাগ, যা আগুনের সমার্থক নয়। অন্যদিকে বহ্নি, বায়ুসখা (বাতাসের বন্ধু), এবং বৈশ্বানর হলো অগ্নির সমার্থক শব্দ। অগ্নি একটি তৎসম শব্দ।
Explanation
উপমেয়কে (জল) অস্বীকার বা গোপন করে উপমানকে (অশ্রুধারা) প্রতিষ্ঠা করা হলে তাকে ‘অপহৃতি’ অলংকার বলে। এখানে নদীর জলকে জল না বলে অশ্রু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তাই এটি অপহৃতি।
Explanation
‘যথারীতি’ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো ‘রীতিকে অতিক্রম না করে’। পূর্বপদে অব্যয় (যথা) যোগে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
Explanation
মৃত্তিকা বা মাটি দিয়ে তৈরি যা, তাকে এককথায় 'মৃন্ময়' বলা হয়। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত (মৃৎ + ময় = মৃন্ময়)। চিন্ময় অর্থ জ্ঞানময় এবং মন্ময় অর্থ নিজচিত্তে বা আত্মহারা।
Explanation
‘অর্ধচন্দ্র’ একটি বিশিষ্টার্থক বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ অর্ধেক চাঁদ হলেও এর আলঙ্কারিক বা প্রয়ােগিক অর্থ হলো ‘গলাধাক্কা দেওয়া’। এটি সাধারণত অপমানজনকভাবে বিদায় করা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘হরতাল’ শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। মহাত্মা গান্ধীর আন্দোলনের ফলে এই শব্দটি জনপ্রিয়তা পায়। ‘হর’ অর্থ প্রলয় এবং ‘তাল’ অর্থ তালা বা বন্ধ, অর্থাৎ সবকিছু বন্ধ রাখা।
Explanation
‘জিগীষা’ শব্দটির বাক্য সংকোচন বা সম্প্রসারিত রূপ হলো ‘জয় করিবার ইচ্ছা’। অন্যদিকে ‘জানবার ইচ্ছা’ হলো জিজ্ঞাসা, ‘হনন করবার ইচ্ছা’ হলো জিঘাংসা এবং ‘যুদ্ধ করবার ইচ্ছা’ হলো যিৎসা।
Explanation
‘ধূলি’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। পছন্দ (ফারসি), হিসাব (আরবি), শৌখিন (ফারসি) হলো বিদেশি শব্দ। তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি অপরিবর্তিতভাবে বাংলায় এসেছে।