৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত হয়। ধ্বনি মূলত কানে শোনার বিষয়, চোখে দেখার নয়। ধ্বনিকে লিখিত রূপ দিলেই তা বর্ণ হয়। তাই ‘ধ্বনি দৃশ্যমান’ এই বাক্যটি সঠিক নয়, বরং বর্ণ দৃশ্যমান এবং ধ্বনি শ্রবণযোগ্য।
Explanation
অক্ষর বা Syllable দুই প্রকার: মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর। যে অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি থাকে এবং টেনে পড়া যায়, তাকে স্বরান্ত অক্ষর বা মুক্তাক্ষর বলে। অন্যদিকে, ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া অক্ষরকে বদ্ধাক্ষর বলা হয়।
Explanation
‘শিরশ্ছেদ’ বানানে তালব্য শ-এর নিচে ছ হয়। ‘দরিদ্র’ শব্দের বিশেষ্য রূপ ‘দরিদ্রতা’ বা ‘দারিদ্র্য’, কিন্তু ‘দরিদ্রতা’ সঠিক। ‘সমীচীন’ বানানে উভয়টিই দীর্ঘ ঈ-কার হয়। তাই ‘শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন’ গুচ্ছটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
Explanation
বাংলায় ব্যবহৃত ‘কলম’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এলেও এর মূল উৎস গ্রিক শব্দ ‘কলমোস’ (Kalamos)। গ্রিক ভাষায় এর অর্থ খাগড়া বা লেখনী। গ্রিক থেকে শব্দটি আরবিতে এবং পরে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
Explanation
এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন সুকুমার সেন। তিনি তাঁর ‘ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ভাষা ছাড়া চিন্তা করা সম্ভব নয়, তাই ভাষা চিন্তাকে জন্ম দেয়। অর্থাৎ ভাষা চিন্তার বাহন এবং প্রসূতি উভয়ই।
Explanation
সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন পর্তুগিজ পাদ্রি মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও। তাঁর রচিত ব্যাকরণটির নাম ‘ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেঙ্গলা ই পর্তুগিজ’, যা ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়।
Explanation
জিহ্বার অবস্থান অনুযায়ী ‘এ’ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা সামনের দিকে থাকে এবং উচ্চ-মধ্য অবস্থানে থাকে। তাই ‘এ’ হলো উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি। ‘ই’ উচ্চ-সম্মুখ এবং ‘অ’ নিম্ন-মধ্য পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।
Explanation
‘তাম্বুলিক’ শব্দের অর্থ পান ব্যবসায়ী, পর্ণকার বা বারুই। কিন্তু ‘তামসিক’ শব্দের অর্থ তমোগুণ বা অন্ধকার সংক্রান্ত। তাই ‘তামসিক’ শব্দটি ‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয়, এটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
Explanation
বাক্যে ‘তো’ অব্যয়টি অন্য পদের সাথে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব (প্রশংসা বা বিস্ময়) প্রকাশ করছে। এ ধরনের অব্যয়কে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। এটি বাক্যের আলঙ্কারিক শোভা বর্ধন করে।
Explanation
‘মিতালি’ শব্দটি (মিতা + আলি) প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থানুযায়ী গঠিত হয়েছে, তাই এটি যৌগিক শব্দ। প্রবীণ (রূঢ়ি), সরোজ (যোগরূঢ়) এবং জেঠামি শব্দের ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ ভিন্ন হতে পারে।