৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বাক্যটিতে তিনটি বানান ভুল রয়েছে: ১. ‘সুনামী’ ভুল, শুদ্ধ হবে ‘সুনামি’; ২. ‘তান্ডবে’ ভুল, শুদ্ধ হবে ‘তাণ্ডবে’ (মূর্ধন্য ণ); ৩. ‘সর্বশান্ত’ ভুল, শুদ্ধ হবে ‘সর্বস্বান্ত’। তাই মোট ভুল সংখ্যা তিনটি।
Explanation
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলে। আর কৃদন্ত পদের আগে যে পদ বা শব্দ বসে তাকে ‘উপপদ’ বলা হয়। যেমন- ‘জলে চরে যা = জলচর’, এখানে ‘জল’ হলো উপপদ।
Explanation
এখানে ‘কী’ দ্বারা প্রশ্ন করা বোঝাচ্ছে এবং এটি একটি নামের পরিবর্তে বা নাম জানতে চাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যাকরণ অনুসারে প্রশ্নবাচক হিসেবে ব্যবহৃত ‘কী’ সর্বনাম পদ হিসেবে গণ্য হয়।
Explanation
‘সরল’ শব্দের বিপরীত শব্দগুলো হলো কুটিল, জটিল, বক্র ইত্যাদি। কিন্তু ‘গরল’ শব্দের অর্থ বিষ, যা ‘অমৃত’ শব্দের বিপরীত। তাই ‘গরল’ শব্দটি ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
Explanation
অফিসিয়াল বা প্রশাসনিক পরিভাষা অনুযায়ী ‘Rank’ শব্দের বাংলা অর্থ হলো ‘পদমর্যাদা’। যদিও সাধারণ অর্থে পদ বা শ্ৰেণি বোঝায়, কিন্তু দাপ্তরিক পরিভাষায় এটি পদমর্যাদা হিসেবেই স্বীকৃত।
Explanation
চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী। তিনি ১৯৩৮ সালে এই অনুবাদটি প্রকাশ করেন, যা চর্যাপদের মূল পাঠ নির্ণয়ে এবং অর্থ উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Explanation
সংস্কৃত ভাষার বিখ্যাত কবি জয়দেব সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি ছিলেন। তাঁর রচিত ‘গীতগোবিন্দ’ রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক একটি অমর কাব্যগ্রন্থ।
Explanation
মধ্যযুগের কবি যশোরাজ খান ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন। ব্রজবুলি মূলত বাংলা ও মৈথিলী ভাষার সংমিশ্রণে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা, যা বৈষ্ণব পদাবলিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
Explanation
দৌলত উজির বাহরাম খাঁ, সাবিরিদ খাঁ এবং সৈয়দ সুলতান প্রত্যেকেই যুদ্ধ বা জঙ্গনামা জাতীয় কাব্য রচনা করেছেন। কিন্তু সৈয়দ নূরুদ্দীন যুদ্ধকাব্যের জন্য পরিচিত নন, তিনি মূলত সুফি সাহিত্য ধারার কবি।
Explanation
কবি জৈনুদ্দিনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘রসুল বিজয়’। এটি একটি যুদ্ধকাব্য বা জঙ্গনামা জাতীয় রচনা। তিনি গৌড় সুলতান ইউসুফ শাহের সভাকবি ছিলেন এবং পঞ্চদশ শতকে এই কাব্যটি রচনা করেন।