বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল ও ভূ-ত্বক - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন অন্যতম প্রধান উপাদান। এটি বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮ শতাংশ জুড়ে রয়েছে এবং জীবজগতের গঠন ও অস্তিত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Explanation
বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় উপাদানগুলোর মধ্যে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনই প্রধান। বায়ুমণ্ডলের মোট আয়তনের প্রায় ৯৮.৭৩ ভাগ জায়গা জুড়ে রয়েছে এই দুটি গ্যাস, যার মধ্যে নাইট্রোজেন ৭৮.০২% এবং অক্সিজেন ২০.৭১%।
Explanation
আয়তনের দিক থেকে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৭৮.০২%, যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১% এবং অন্যান্য গ্যাসের পরিমাণ খুবই নগণ্য।
Explanation
নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস হলো বায়ুমণ্ডল। বায়ুমণ্ডলের আয়তনের প্রায় ৭৮ ভাগই নাইট্রোজেন গ্যাস দ্বারা পূর্ণ। বিশেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ ও প্রাণী বায়ুমণ্ডল থেকে এই নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে।
Explanation
বৈজ্ঞানিক তথ্যানুসারে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০২ শতাংশ। এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে প্রাচুর্যময় উপাদান এবং এটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে বায়ুমণ্ডলের চাপ ও ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
Explanation
বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ। নাইট্রোজেনের পরেই বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের অবস্থান। প্রাণীজগতের শ্বাস-প্রশ্বাস এবং আগুন জ্বালানোর জন্য অক্সিজেন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান।
Explanation
বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তকে ও গবেষণায় বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ সামান্য ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত এটি ২০.৭১% ধরা হলেও কিছু নিখুঁত হিসাবে এটি ২০.৯৯% বা প্রায় ২১% হিসেবেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে।
Explanation
আয়তন অনুসারে বায়ুতে অক্সিজেনের গড় পরিমাণ প্রায় ২১ শতাংশ। শ্বাসকার্য পরিচালনা, দহন ক্রিয়া এবং শক্তির উৎস হিসেবে অক্সিজেনের এই পরিমাণ বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Explanation
বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের স্বাভাবিক পরিমাণ প্রায় ০.০৩ শতাংশ। যদিও বর্তমানে শিল্পায়ন ও দূষণের কারণে এই পরিমাণ সামান্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী এটি ০.০৩% ধরা হয়।
Explanation
কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ সূক্ষ্মভাবে পরিমাপ করলে তা প্রায় ০.০৩৫% বা তার কাছাকাছি পাওয়া যায়। এটি গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।