বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘শিরে সংক্রান্তি’ একটি বাংলা বাগধারা যার অর্থ হলো আসন্ন বিপদ বা ঘাড়ে এসে পড়া বিপদ। অন্যদিকে চৈত্র সংক্রান্তি ও পৌষ সংক্রান্তি বাঙালির উৎসবের নাম, এগুলো কোনো বাগধারা নয়।
Explanation
সুকুমার রায়ের কবিতায় ‘রামগরুড়ের ছানা’ বলতে এমন কাউকে বোঝানো হয়েছে যে কখনো হাসে না। তাই বাংলা বাগধারায় ‘রামগরুড়ের ছানা’ বলতে অত্যন্ত গম্ভীর বা গোমড়ামুখো লোক বোঝানো হয়।
Explanation
‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগধারাটি দ্বারা অধিক অর্থ উপার্জনের আকাঙ্ক্ষা বা জমানোর নেশাকে বোঝানো হয়। ১০০ পূর্ণ করার প্রবল ইচ্ছা থেকে সৃষ্ট সঞ্চয়ের প্রবৃত্তিকে এই বাগধারায় প্রকাশ করা হয়।
Explanation
‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারাটি এমন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যে অন্যের কথায় সায় দেয় বা লেজুড়বৃত্তি করে। তাই এর সঠিক অর্থ হলো তোষামুদে বা মোসাহেব, যে সর্বদা অন্যের মন জুগিয়ে চলে।
Explanation
‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটি দিয়ে আনন্দের প্রাচুর্য বা প্রিয়জনদের মিলনমেলাকে বোঝানো হয়। যখন অনেক প্রিয় বা গুণী মানুষ একজায়গাতে মিলিত হয়, তখন সেই অবস্থাকে চাঁদের হাট বলা হয়।
Explanation
যে ব্যক্তি কোনো প্রকার সংকোচ ছাড়াই মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেন, তাকে ‘ঠোঁট কাটা’ বলা হয়। অর্থাৎ এই বাগধারাটির দ্বারা নির্লজ্জভাবে বা সাহসের সাথে স্পষ্ট কথা বলা ব্যক্তিকে বোঝায়।
Explanation
ব্যাঙ জলচর প্রাণী, তাই তার সর্দি হওয়া একটি অবাস্তব বা অসম্ভব ব্যাপার। এই ধারণা থেকেই ‘ব্যাঙের সর্দি’ বাগধারাটি এমন কোনো ঘটনাকে নির্দেশ করে যা ঘটা অসম্ভব।
Explanation
রামায়ণে ‘ভূষণ্ডি’ নামের এক কাকের উল্লেখ আছে যে বহু যুগ ধরে বেঁচে ছিল। সেই অনুসরণে বাংলা ভাষায় অত্যন্ত বয়স্ক বা দীর্ঘজীবী ব্যক্তিকে বোঝাতে ‘ভূষণ্ডির কাক’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ বাগধারাটির অর্থ হলো কোনো রকম ঝামেলায় না জড়িয়ে বা নিজেকে বিপদে না ফেলে কৌশলে নিজের কাজ হাসিল করে নেওয়া। তাই কৌশলে কার্যোদ্ধার অর্থটি এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
Explanation
বাংলা বাগধারায় ‘আট কপালে’ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যার কপাল মন্দ বা যে হতভাগ্য। অন্যদিকে ‘উড়নচণ্ডী’ মানে অমিতব্যয়ী এবং ‘ছা-পোষা’ মানে অত্যন্ত সাধারণ বা গরিব গৃহস্থ।