বাংলা বিবিধ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

263 Total Questions
Back to Category
A
দেশী
B
সংস্কৃত
C
বিদেশী
D
খাঁটি বাংলা

Explanation

‘পাঠক’ শব্দটি সংস্কৃত ‘পঠ্’ ধাতু থেকে গঠিত হয়েছে (পঠ্ + অক)। যেহেতু ‘পঠ্’ একটি সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু, তাই পাঠক শব্দটি সংস্কৃত ধাতু থেকে গঠিত।

A
বাক্যতত্ত্বে
B
রূপতত্ত্বে
C
অর্থতত্ত্ব
D
ধ্বনিতত্ত্বে

Explanation

ধাতু হলো শব্দের ক্ষুদ্রতম একক বা মূল অংশ যা শব্দ গঠন করে। শব্দ গঠন ও পদের রূপ পরিবর্তন ব্যাকরণের রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব (Morphology) অংশে আলোচিত হয়।

A
৪ প্রকার
B
২ প্রকার
C
৩ প্রকার
D
৫ প্রকার

Explanation

সাধিত ধাতু তিন প্রকার। যথা: ১. নাম ধাতু (বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে আ প্রত্যয় যোগে), ২. প্রযোজক ধাতু (মৌলিক ধাতুর সাথে আ প্রত্যয় যোগে, যা অন্যকে দিয়ে কাজ করানো বোঝায়), এবং ৩. কর্মবাচ্যের ধাতু।

A
মৌলিক ধাতু
B
সংস্কৃত ধাতু
C
যৌগিক ধাতু
D
বিদেশী ধাতু

Explanation

'অঙ্ক' (বা অঙ্ক্) একটি সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু। এর অর্থ হলো আঁকা বা চিহ্নিত করা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম ক্রিয়াপদ গঠনে এটি ব্যবহৃত হয় (যেমন: অঙ্কন, অঙ্কিত)।

A
বাগধারা
B
বাচ্য
C
উক্তি
D
প্রবাদ

Explanation

বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গিকে ‘বাচ্য’ (Voice) বলা হয়। কর্তা, কর্ম বা ভাবের প্রাধান্য অনুযায়ী বাক্যের ক্রিয়াটি কীভাবে প্রকাশিত হচ্ছে, তা বাচ্যের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

A
কর্ম-কর্তৃবাচ্য
B
কর্মবাচ্য
C
কর্তৃবাচ্য
D
ভাববাচ্য

Explanation

যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্ম-কর্তৃবাচ্য বলে। এখানে ‘বাঁশি’ (কর্ম) নিজেই বাজছে বলে মনে হচ্ছে, তাই এটি কর্ম-কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ।

A
কর্তৃবাচ্যের
B
কর্মবাচ্যের
C
ভাববাচ্যের
D
কর্ম-কর্তৃবাচ্যের

Explanation

যে বাক্যে কর্তার উল্লেখ থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। ‘এবার একটি গান হোক’ বাক্যে কে গাইবে তা বলা নেই, গানের ভাবের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

A
কর্তৃবাচ্য
B
কর্মবাচ্য
C
ভাববাচ্য
D
কর্মকর্তৃবাচ্য

Explanation

যে বাচ্যে কর্তা থাকে না বা উহ্য থাকে এবং কর্মপদটিই কর্তার মতো ক্রিয়া সম্পাদন করে বলে মনে হয়, তাকে কর্ম-কর্তৃবাচ্য বলে। যেমন: কলমটা ভালো লেখে।

A
প্রমথ চৌধুরী
B
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
C
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
D
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Explanation

বাংলা ভাষায় বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্নের প্রবর্তন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ১৮৪৭ সালে তার ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি চিহ্নের সার্থক ব্যবহার দেখান।

A
১১টি
B
১০টি
C
১৩টি
D
৮টি

Explanation

প্রথাগত বাংলা ব্যাকরণে প্রধান যতি বা ছেদ চিহ্নের সংখ্যা সাধারণত ১১টি (বা ১২টি হিসেবেও কোথাও উল্লেখ থাকে, তবে ১১টি বহুল প্রচলিত উত্তর)। যেমন: কমা, সেমিকোলন, দাড়ি, প্রশ্নবোধক, বিস্ময়সূচক, কোলন ইত্যাদি।