বাংলাদেশ বিষয়াবলি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে অবস্থিত। ২০১৩ সালে এটি উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ৩,৮১০ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই সাফারি পার্কে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা হয়।
Explanation
মুক্তিযুদ্ধকালে ঢাকা ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। এই সেক্টরে ঢাকা, ফরিদপুর এবং কুমিল্লার কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে মেজর এটিএম হায়দার।
Explanation
হার্ডিঞ্জ সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। পদ্মা নদীর উপর নির্মিত এই সেতুর দৈর্ঘ্য ১.৮ কিলোমিটার। ১৯১৫ সালে নির্মিত এই সেতু পাবনা জেলার ঈশ্বরদী এবং কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারাকে সংযুক্ত করেছে।
Explanation
চন্দ্রদ্বীপ বরিশাল জেলার প্রাচীন নাম। মধ্যযুগে এই অঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ রাজ্য নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে মুঘল আমলে এটি বাকলা নামে পরিচিত হয় এবং ব্রিটিশ আমলে বরিশাল নাম ধারণ করে।
Explanation
লুই আই কান (Louis I. Kahn) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি। এই আমেরিকান স্থপতি ১৯৬২ সালে এই ভবনের নকশা করেন। শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই স্থাপত্য বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধুনিক স্থাপত্য হিসেবে স্বীকৃত।
Explanation
গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ থেকে শুরু হয়েছে। মুঘল সম্রাট শের শাহ সুরি নির্মিত এই ঐতিহাসিক সড়কটি বাংলাদেশ থেকে ভারত হয়ে আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও দীর্ঘ সড়ক।
Explanation
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের সময় তিনি রাষ্ট্রপতি পদে নিযুক্ত হন। পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
Explanation
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা আম্রকাননে এই ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এই স্থানটি পরবর্তীতে মুজিবনগর নামে পরিচিত হয়।
Explanation
মৌলভীবাজার জেলায় আগর চাষ হয়। বড়লেখা ও কুলাউড়া উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে আগর চাষ করা হয়। আগর গাছ থেকে মূল্যবান আতর ও সুগন্ধি তৈরি হয় যা আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়।
Explanation
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। এই ছয় দফা পরবর্তীতে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত হয়।