বাংলাদেশ বিষয়াবলি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
আদমশুমারী ও গৃহগণনার বর্তমান নাম 'জনশুমারী ও গৃহগণনা'। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এই নামেই দেশের জনসংখ্যা গণনা কার্যক্রম পরিচালনা করে। পূর্বে এটি 'আদমশুমারী' নামে পরিচিত ছিল, কিন্তু বর্তমানে আধুনিক ও প্রমিত বাংলায় 'জনশুমারী' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। সর্বশেষ জনশুমারী ও গৃহগণনা ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
Explanation
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান। তিনি একজন প্রখ্যাত শিল্পী ও স্থপতি ছিলেন। ১৯৫৭ সালে শহীদ মিনারের নকশা প্রতিযোগিতায় হামিদুর রহমান ও নভেরা আহমেদের যৌথ নকশা নির্বাচিত হয়। শহীদ মিনারের নকশায় মা ও সন্তানের প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে মধ্যের উঁচু স্তম্ভটি মা এবং পাশের ছোট স্তম্ভগুলো সন্তানদের প্রতিনিধিত্ব করে।
Explanation
সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে দেশের দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। ২০০২ সালে সিয়েরা লিওন সরকার বাংলাকে দেশের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর পেছনে রয়েছে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদান। সিয়েরা লিওনের গৃহযুদ্ধের সময় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, যার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান প্রদান করা হয়।
Explanation
৭ই মার্চ ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের স্মৃতি রক্ষার্থে এই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের জন্য নির্মিত এই ভবনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে বিবেচিত হয়।
Explanation
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ নম্বর অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচার করার অধিকার রয়েছে। প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে। এটি বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
Explanation
শেখ মুজিবুর রহমান ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত গণসংবর্ধনায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেন।
Explanation
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। বাংলাদেশের বিজয়ের পর আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান সরকার তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তির পর তিনি লন্ডন হয়ে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
Explanation
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন মাওলানা ভাসানী। মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধে সকল রাজনৈতিক দলের সমর্থন ও পরামর্শ লাভের জন্য এই কমিটি গঠন করে। মাওলানা ভাসানী ছাড়াও এই কমিটিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই কমিটি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেছিল।
Explanation
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ২০১৭ সালে ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে নিবন্ধন করা হয়। ৩০ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে প্যারিসে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক এই ঘোষণা দেন। এই ভাষণটি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বিরল সম্মান এবং বঙ্গবন্ধুর ভাষণের আন্তর্জাতিক গুরুত্বের স্বীকৃতি।
Explanation
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষা আন্দোলনের জন্য ১১ মার্চ ১৯৪৮ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন। এই দিন ভাষা আন্দোলনকারীরা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ধর্মঘট পালন করছিলেন। শেখ মুজিব সহ অনেক ছাত্রনেতা এই আন্দোলনে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হন। এটি ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। পরবর্তীতে তিনি ১৫ মার্চ মুক্তি পান।