বাংলাদেশ বিষয়াবলি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এই দিনটি জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়।
Explanation
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের রণসংগীত 'চল চল চল' এর রচয়িতা। এই গানটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর রণসংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নজরুলের এই উদ্দীপনামূলক গানটি দেশপ্রেম ও সাহসের প্রতীক।
Explanation
মুজিবনগর মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। পূর্বে এর নাম ছিল বৈদ্যনাথতলা। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এখানে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। বঙ্গবন্ধুর নামানুসারে এই স্থানের নাম রাখা হয় মুজিবনগর।
Explanation
শিলাইদহ কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি দেখাশোনার জন্য এখানে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন। শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে বসে তিনি অনেক বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম রচনা করেছেন, যার মধ্যে 'সোনার তরী', 'চিত্রা' ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
Explanation
বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে - ভারত ও মিয়ানমার। ভারতের সাথে বাংলাদেশের ৪,১৫৬ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে ২৭১ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
Explanation
গারো পাহাড় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত। এটি মূলত ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, শেরপুর এবং জামালপুর জেলায় বিস্তৃত। গারো উপজাতিরা এই পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে এবং তাদের নামানুসারে এই পাহাড়ের নামকরণ হয়েছে।
Explanation
বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট (River Research Institute) ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত। এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি নদী ভাঙন, পলি জমা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণা করে।
Explanation
নাটোর জেলাকে বাংলাদেশের 'রুটির ঝুড়ি' বলা হয়। এই জেলায় প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদিত হয়, যা রুটি তৈরির প্রধান উপাদান। উত্তরবঙ্গের এই জেলাটি কৃষি উৎপাদনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
Explanation
বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র। ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। স্বাধীনতা লাভের পর আন্তর্জাতিক সংস্থায় যোগদানের ক্ষেত্রে এটি ছিল বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
Explanation
বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদকে ইউনেস্কো ১৯৮৫ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হিসেবে ঘোষণা করে। খান জাহান আলী ১৫ শতকে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। প্রকৃতপক্ষে এই মসজিদে ৮১টি গম্বুজ রয়েছে, কিন্তু এটি ষাট গম্বুজ মসজিদ নামেই পরিচিত।