বাংলাদেশের সাগর নদী পাহাড় পর্বত হাওড় বিল ও চর - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
দুবলার চর সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত। এটি বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার অন্তর্গত। এই চরটি শুঁটকি মাছ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এবং প্রতি বছর রাস পূর্ণিমায় এখানে রাসমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
Explanation
মুহুরীর চর ফেনী জেলায় অবস্থিত। এটি মুহুরী নদীর মোহনায় জেগে ওঠা একটি চর। এই চরটি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ ছিল। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
Explanation
চরফ্যাশন ভোলা জেলায় অবস্থিত। এটি ভোলা জেলার একটি উপজেলা। চরফ্যাশন মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দর। এখান থেকে ঢাকা ও অন্যান্য জেলায় নৌপথে যোগাযোগ রয়েছে।
Explanation
এলিফ্যান্ট পয়েন্ট কক্সবাজারে অবস্থিত। যেমন হিরন পয়েন্ট সুন্দরবনের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান, তেমনি এলিফ্যান্ট পয়েন্ট কক্সবাজারের একটি পর্যটন আকর্ষণ। এটি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত।
Explanation
Tiger Point সুন্দরবনে অবস্থিত। এটি সুন্দরবনের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান যেখানে রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্ট যেমন হিরন পয়েন্ট, কটকা, দুবলার চর ইত্যাদির মতো টাইগার পয়েন্টও পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র।
Explanation
মেঘনা বাংলাদেশের সবচেয়ে নাব্য নদী। নাব্যতা বলতে নদীর গভীরতা এবং নৌ চলাচলের উপযোগিতা বোঝায়। মেঘনা নদী সারা বছরই গভীর থাকে এবং বড় বড় জাহাজ চলাচলের উপযোগী। এর গড় গভীরতা অন্যান্য নদীর তুলনায় বেশি।
Explanation
মেঘনা বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৬৯ কিলোমিটার। সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করে এবং চাঁদপুরে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।
Explanation
মেঘনা বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী। এর সর্বোচ্চ প্রশস্ততা প্রায় ১২ কিলোমিটার। বিশেষ করে চাঁদপুরের কাছে এবং মোহনার দিকে এটি অত্যন্ত প্রশস্ত হয়ে যায়। বর্ষাকালে এর প্রশস্ততা আরও বৃদ্ধি পায়।
Explanation
কর্ণফুলী বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী। পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হওয়ায় এর স্রোতের বেগ অত্যন্ত প্রবল। বিশেষ করে বর্ষাকালে এর স্রোত অত্যন্ত খর হয়ে ওঠে। এই নদীর উপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মিত হয়েছে।
Explanation
মিয়ানমার থেকে ৩টি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এগুলো হলো: নাফ, সাঙ্গু এবং মাতামুহুরী। এই তিনটি নদীই মিয়ানমারের পার্বত্য অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রবেশ করেছে।