এক কথায় প্রকাশ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

166 Total Questions
Back to Category
A
চাটনি
B
চোষ্য
C
লেহ্য
D
চর্ব

Explanation

যা জিহ্বা দিয়ে চেটে খাওয়া হয়, তাকে এক কথায় ‘লেহ্য’ বলা হয়। যেমন- মধু বা চাটনি জাতীয় খাবার।

A
যে উপকারীর উপকার করে না
B
যে উপকারীর অপকার করে
C
যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না
D
যে উপকারীর উপকার ভুরে যায়

Explanation

‘কৃতঘ্ন’ হলো সেই ব্যক্তি যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না বরং উপকারীর ক্ষতি বা অপকার করে। এটি অকৃতজ্ঞতার চেয়েও হীন একটি কাজ।

A
আবাচাল
B
মিতভাষী
C
মিতভাষি
D
মিতভাসী

Explanation

যে ব্যক্তি প্রয়োজন ছাড়া বেশি কথা বলেন না বা অল্প কথা বলেন, তাকে ‘মিতভাষী’ বলা হয়। এর বিপরীত হলো ‘বাচাল’ (যে বেশি কথা বলে)।

A
অস্থায়ী
B
ক্ষণস্থায়ী
C
ক্ষণিক
D
নশ্বর

Explanation

যা অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী বা চিরকাল থাকে না, তাকে ‘অস্থায়ী’ বলা হয়। নশ্বর মানে যা ধ্বংসশীল, কিন্তু সাধারণ অর্থে ‘যা স্থায়ী নয়’ বলতে ‘অস্থায়ী’ বোঝায়।

A
প্রত্যক্ষ
B
সম্মুখ
C
চাক্ষুষ
D
প্রত্যক্ষদর্মী

Explanation

যা চোখ দিয়ে দেখা বা গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে এক কথায় ‘চাক্ষুষ’ বলা হয়। যেমন- চাক্ষুষ প্রমাণ (নিজের চোখে দেখা প্রমাণ)।

A
যে উপকারীর উপকার করে না
B
যে উপকারীর অপকার করে
C
যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না
D
যে উপকারীর উপকার ভুলে যায়

Explanation

উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না এবং উল্টো ক্ষতি করে, তাকে কৃতঘ্ন বলা হয়। এটি মানুষের চরিত্রের একটি অত্যন্ত নেতিবাচক দিক।

A
ভুজঙ্গ
B
নৈশরণ
C
জুগুপ্সা
D
সৌপ্তিক

Explanation

রাতে বা অন্ধকারে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়, তাকে এক কথায় ‘সৌপ্তিক’ বলা হয়। মহাভারতে সৌপ্তিক পর্ব নামে একটি অধ্যায় আছে যেখানে রাতে যুদ্ধের বর্ণনা রয়েছে।

A
সাপের খোলস
B
নির্মোহ ব্যক্তি
C
ময়ূরের পেখম
D
নিষক রাখার পাত্র

Explanation

সাপ তার পুরোনো চামড়া বদলানোর সময় যে খোলস ত্যাগ করে, তাকে ‘নির্মোক’ বলা হয়। তাই ‘সাপের খোলস’ এর সংকুচিত রূপ হলো নির্মোক।

A
লেলিহান
B
লিপ্সা
C
লেহ্য
D
যুযুৎসু

Explanation

যার জিহ্বা বারবার বের হয় বা লকলক করে (সাধারণত ক্ষুধার্ত বা লোভাতুর অবস্থায় বা সাপের ক্ষেত্রে), তাকে এক কথায় ‘লেলিহান’ বলা হয়। অগ্নির শিখাকেও লেলিহান বলা হয়।

A
বেতসবৃত্তি
B
পতঙ্গবৃত্তি
C
জলৌকাবৃত্তি
D
কুম্ভীলকবৃত্তি

Explanation

অন্য লেখকের লেখা বা বুদ্ধি চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াকে সাহিত্যিক পরিভাষায় ‘কুম্ভীলকবৃত্তি’ বলা হয়। এটি এক প্রকার বৌদ্ধিক চৌর্যবৃত্তি।