সাধারন বিজ্ঞান - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

1535 Total Questions
Back to Category
A
জন্ডিস
B
হাম
C
এইডস
D
ডিপথেরিয়া

Explanation

ডিপথেরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা 'করিনিব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরি' নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়। জন্ডিস, হাম এবং এইডস ভাইরাসজনিত রোগ।

A
ট্রান্সফর্মার
B
মোটর
C
ডায়নামো
D
পাখা

Explanation

ডায়নামো বা জেনারেটর যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে এবং ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজ পরিবর্তন করে।

A
লোহিত অস্থিমজ্জায়
B
তরুণাস্তিতে
C
হরিদ্রা অস্থিমজ্জায়
D
যকৃতে

Explanation

রক্তের লোহিত কণিকা (RBC) লাল অস্থিমজ্জা বা Red Bone Marrow-তে তৈরি হয়। এটি রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে প্রধান ভূমিকা পালন করে।

A
বায়ুর চাপ বেশি
B
বায়ুর চাপ কম
C
সূর্যতাপের প্রখরতা বেশি
D
সূর্যতাপের প্রখরতা কম

Explanation

উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলের চাপ কমে যায়। বায়ুর চাপ কমলে তরলের স্ফুটনাঙ্কও কমে যায়, তাই পাহাড়ের চূড়ায় পানি ১০০°C এর কম তাপমাত্রায় ফোটে।

A
লোহিত কণিকায়
B
শ্বেত কণিকায়
C
রক্তরসে
D
কোনোটিই নয়

Explanation

কেঁচোর রক্তে হিমোগ্লোবিন রক্তরসে (Plasma) দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ক্ষেত্রে হিমোগ্লোবিন লোহিত কণিকায় থাকে, কিন্তু কেঁচোর ক্ষেত্রে তা ভিন্ন।

A
K
B
C
C
E
D
D

Explanation

ভিটামিন K রক্ত তঞ্চনে বা জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। এর অভাবে ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া সহজে বন্ধ হয় না।

A
মিথেন
B
ফসফিন গ্যাস
C
নাইট্রোজেন গ্যাস
D
ক্লোরোপিকরিন

Explanation

কাঁদুনে গ্যাসের রাসায়নিক নাম ক্লোরোপিকরিন (Chloropicrin)। এটি চোখের সংস্পর্শে আসলে তীব্র জ্বালাপোড়া ও পানি পড়ার সৃষ্টি করে, তাই একে টিয়ার গ্যাস বা কাঁদুনে গ্যাস বলা হয়।

A
Quarantine
B
Gestation
C
Isolation
D
Seclusion

Explanation

সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থ মানুষদের থেকে আলাদা রাখার ব্যবস্থাকে কোয়ারেন্টাইন (Quarantine) বা আইসোলেশন বলা হয়। প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক পরিভাষা Quarantine।

A
নাইট্রোজেন
B
কার্বন মনোক্সাইড
C
মিথেন
D
হাইড্রোজেন

Explanation

প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (CH4)। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ প্রায় ৯৫% থেকে ৯৯% পর্যন্ত হয়ে থাকে।

A
ডি এন এ
B
আরএনএ
C
সেপ্টোমেয়ার
D
নিউক্লিয়াস

Explanation

মানুষের চামড়ার রং জিনগত তথ্যের ওপর নির্ভর করে, যা ডিএনএ (DNA) তে থাকে। মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ চামড়ার রং তৈরি করে, যার উৎপাদন ডিএনএ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।