সাহিত্য - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

1944 Total Questions
Back to Category
A
দোলন চাঁপা
B
ঘরে-বাইরে
C
চিহ্ন
D
মৃত্যুক্ষুধা

Explanation

‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি উপন্যাস। এটি কৃষ্ণনগর অবস্থানের পটভূমিতে রচিত এবং এতে দারিদ্র্য ও সাম্যবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।

A
লুইপা
B
কাহ্নপা
C
ভুসুকুপা
D
শবরপা

Explanation

চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা। তার রচিত পদের সংখ্যা ১৩টি। তিনি চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি।

A
উপন্যাস
B
কবিতা
C
নাটক
D
প্রবন্ধ

Explanation

‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং অমিত ও লাবণ্য চরিত্র দুটির জন্য সুপরিচিত।

A
আগুনের পরশমণি
B
রুমালি
C
কুহক
D
নন্দিত নরকে

Explanation

‘আগুনের পরশমণি’ হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এতে ১৯৭১ সালে ঢাকা শহরের একটি পরিবারের ওপর যুদ্ধের প্রভাব বর্ণিত হয়েছে।

A
ব্যঞ্জন বিকৃতি
B
পরাগত
C
স্বরাগম
D
অসমীকরণ

Explanation

এখানে স্বরাগম বা মধ্যস্বরাগম (বিপ্রকর্ষ) ঘটেছে। যুক্তব্যঞ্জন ভেঙে মাঝখানে স্বরধ্বনি আনা হলে তাকে স্বরাগম বলে। (গ্র্ + আ > গ্ + এ + র্ + আ + ম)।

A
মধুসূদন দত্ত
B
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
C
কাজী নজরুল ইসলাম
D
দীনবন্ধু মিত্র

Explanation

‘নীলদর্পণ’ দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকে নীলকর সাহেবদের অত্যাচার এবং নীল চাষীদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

A
বিদ্যাপতি
B
বড়ু চণ্ডীদাস
C
জ্ঞানদাস
D
দ্বিজ চণ্ডীদাস

Explanation

এই বিখ্যাত পদটি বৈষ্ণব পদাবলির কবি জ্ঞানদাসের রচনা। তিনি চণ্ডীদাসের ভাবশিষ্য ছিলেন এবং আক্ষেপানুরাগের পদ রচনায় দক্ষতা দেখিয়েছিলেন।

A
আবু জাফর সামসুদ্দিন
B
আনোয়ার পাশা
C
মাযহারুল ইসলাম
D
সরদার জয়েনউদ্দিন

Explanation

‘রাইফেল রোটি আওরাত’ আনোয়ার পাশা রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। তিনি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হন এবং যুদ্ধচলাকালীন সময়েই এটি রচনা করেন।

A
সেলিনা হোসেন
B
রশিদ করিম
C
মযহারুল ইসলাম
D
সৈয়দ শামসুল হক

Explanation

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’ গ্রন্থটির রচয়িতা বিশিষ্ট লোকবিজ্ঞানী ও লেখক মযহারুল ইসলাম। তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করেছেন।

A
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B
প্যারীচাদ মিত্র
C
দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
D
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

Explanation

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় বিরাম বা যতিচিহ্নের প্রবর্তন করেন। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তার ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে প্রথম বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার দেখা যায়।