সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘ইউসুফ জোলেখা’ একটি রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। মধ্যযুগে শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা ভাষায় এই কাহিনী প্রথম রচনা করেন। এটি ধর্মীয় পটভূমিতে রচিত মানবিক প্রেমের আখ্যান।
Explanation
মহাকবি কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী। তিনি ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্য রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।
Explanation
বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী। ১৯১৪ সালে তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে তিনি চলিত ভাষাকে সাহিত্যিক মর্যাদা দান করেন।
Explanation
‘অসারের তর্জন-গর্জন সার’ প্রবাদটি দ্বারা ‘গুণহীনের ব্যর্থ আস্ফালন’ বোঝানো হয়। যার সারবত্তা নেই, সে-ই বেশি শব্দ বা আড়ম্বর করে—এই ভাবটি প্রকাশ পায়।
Explanation
সম্বোধন পদের পরে ‘কমা’ (,) ব্যবহৃত হয়। কাউকে ডাকার পর বা সম্বোধন করার পর সামান্য বিরতি দিতে এই যতিচিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।
Explanation
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা সাধু গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি বাংলা গদ্যকে সুশৃঙ্খল, মার্জিত ও সাহিত্যের বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
Explanation
সাধু ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণিক নিয়ম মেনে চলে। এটি গুরুগম্ভীর এবং এতে তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি। এটি সহজে পরিবর্তনশীল নয়।
Explanation
বাংলা ভাষায় বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ও প্রবর্তন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁর ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার দেখা যায়।
Explanation
বাক্যের ক্রিয়া ‘লিখেছি’ সাধারণ বর্তমান বা পুরাঘটিত বর্তমানের মতো মনে হতে পারে, তবে অপশন অনুযায়ী এটি সাধারণ বর্তমানের অন্তর্গত ধরা হয় না, ব্যাকরণগতভাবে এটি ‘পুরাঘটিত বর্তমান’। কিন্তু প্রদত্ত উত্তরে ‘সাধারণ বর্তমান’ দেওয়া হয়েছে যা অনেক সময় কাব্যিক অর্থে ধরা হয়। তবে সঠিক ব্যাকরণিক উত্তর ‘পুরাঘটিত বর্তমান’।
Explanation
বিশুদ্ধ চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় এবং তৎসম শব্দের বদলে তদ্ভব শব্দ প্রাধান্য পায়। ‘সামনে একটা বাঁশ বাগান পড়ল’ বাক্যটিতে এই বৈশিষ্ট্যগুলো বিদ্যমান।