সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘চোখের বালি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, এটি কাব্যগ্রন্থ নয়। অন্যদিকে মানসী, সোনার তরী এবং গীতাঞ্জলি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
Explanation
‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা ভাষার ইতিহাস বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা গ্রন্থ। এটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে নিজস্ব মতবাদ উপস্থাপন করেন।
Explanation
‘দেশে-বিদেশে’ (১৯৪৮) সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনী। এতে তাঁর আফগানিস্তানের কাবুলে অবস্থানের অভিজ্ঞতা সরস ও রম্য ভঙ্গিতে বর্ণিত হয়েছে। এটি আধুনিক বাংলা ভ্রমণ সাহিত্যের একটি মাইলফলক।
Explanation
এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের। উপন্যাসের নায়িকা কপালকুণ্ডলা নায়ক নবকুমারকে প্রথম দেখার পর এই প্রশ্নটি করেছিল। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম রোমান্টিক ও রহস্যময় সংলাপ।
Explanation
‘ছি! ছি!’ অব্যয়টি সাধারণত ধিক্কার বা ঘৃণা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। এখানে ‘ছি’ শব্দটির দ্বিরুক্তি বা দুইবার ব্যবহারের মাধ্যমে ঘৃণার বা বিরক্তির ভাবের গভীরতা বা তীব্রতা প্রকাশ পেয়েছে।
Explanation
‘ব্যাকরণ’ শব্দটি বি + আ + কৃ + অনট (ব্যুৎপত্তিগতভাবে) গঠিত। এর আক্ষরিক অর্থ হলো ‘বিশেষভাবে বিশ্লেষণ’। এটি ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন ও গঠনপ্রকৃতি বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করে।
Explanation
‘চিলেকোঠার সেপাই’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস। এটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ববর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা এই উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য।
Explanation
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে এবং এর সময়কাল সপ্তম শতক বা ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ। অন্যদিকে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, এর উদ্ভব দশম শতকে (৯৫০ খ্রিস্টাব্দ)।
Explanation
শবরপা চর্যাপদের একজন অন্যতম পদকর্তা। তিনি বাঙালি ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তাঁর রচিত দুটি পদ (২৮ ও ৫০ নং) চর্যাপদে পাওয়া যায়। ভারতচন্দ্র, বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস মধ্যযুগের কবি, চর্যাপদের নন।
Explanation
মধ্যযুগের কবি দৌলত উজির বাহরাম খান ফারসি কবি জামীর ‘লাইলী ওয়া মজনুন’ কাব্যের ভাবানুবাদ করেন ‘লায়লী-মজনু’ নামে। এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা এবং প্রণয়োপাখ্যান হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী।