সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
আধুনিক কবি শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতা ‘১৯৪৯’ (রচনাকাল) নলিনী কিশোর গুহ সম্পাদিত সাপ্তাহিক ‘সোনার বাংলা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এটি ১৯৪৯ সালের ১ জানুয়ারি সংখ্যায় ছাপা হয়েছিল।
Explanation
‘বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্য’ বা ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ গ্রন্থের সম্পাদনা এবং এর পাঠ উদ্ধারে গবেষকদের অবদান রয়েছে। মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনোয়ার পাশা যৌথভাবে বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্য বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের একটি সংস্করণ সম্পাদনা করেন।
Explanation
ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত পালাগানগুলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ নামে ৪ খণ্ডে প্রকাশিত হয়। এর প্রথম খণ্ডটি ১৯২৩ সালে ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ নামে পৃথকভাবে প্রকাশিত হয়, যা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
Explanation
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা ভগবতী দেবী। এই গ্রামটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত।
Explanation
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে বাঙালি নারী জাগরণের পথিকৃৎ বা অগ্রদূত বলা হয়। তিনি মুসলিম নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে এবং সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন। ‘সুলতানার স্বপ্ন’ তাঁর বিখ্যাত রচনা।
Explanation
‘ছায়ানট’ (১৯২৫) কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি মূলত রোমান্টিক কবিতার সংকলন। সোজন বাদিয়ার ঘাট (জসীমউদ্দীন), গীতাঞ্জলি (রবীন্দ্রনাথ) এবং মেঘনাদবধ (মাইকেল মধুসূদন) অন্য কবিদের রচনা।
Explanation
বাংলা ভাষার লেখ্য রূপের দুটি প্রধান রীতি রয়েছে: ১. সাধু রীতি এবং ২. চলিত রীতি। সাধু ভাষা তৎসম শব্দবহুল ও ব্যাকরণসিদ্ধ, আর চলিত ভাষা তদ্ভব শব্দবহুল ও পরিবর্তনশীল। কথ্য ভাষা হলো মৌখিক রূপ, লেখ্য রীতি নয়।
Explanation
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত নাটক। তিনি বাংলা নাটকে মহাকাব্যিক বাস্তবতাবাদের প্রবর্তক। ‘কিত্তনখোলা’, ‘কেরামত মঙ্গল’ এবং ‘হাত হদাই’ তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক।
Explanation
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ‘ছন্দের জাদুকর’ বলা হয়। তিনি বাংলা কাব্যে ছন্দের বিচিত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন এবং বিভিন্ন বিদেশী ছন্দকে বাংলায় রূপান্তর করেছেন। তাঁর ছন্দের ঝংকার পাঠকদের মুগ্ধ করে।
Explanation
জীবনানন্দ দাশের ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতার এই চরণে ‘রূপসা’ বলতে খুলনার রূপসা নদীকে বোঝানো হয়েছে। কবি বাংলার প্রকৃতি ও নদীকে গভীরভাবে ভালোবেসে মৃত্যুর পরও এই নদীর তিরে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।