সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হলো বড়ু চণ্ডীদাস রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে এই কাব্যের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।
Explanation
বাংলা ভাষার সাধুরীতি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দবহুল। সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় এবং এর শব্দভাণ্ডারে সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য থাকে, যা একে কিছুটা গুরুগম্ভীর করে তোলে।
Explanation
‘সাক্ষী গোপাল’ বাগধারাটির অর্থ হলো ‘নিষ্ক্রিয় দর্শক’। কোনো ঘটনায় উপস্থিত থেকেও যখন কেউ কোনো ভূমিকা পালন না করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে, তখন তাকে সাক্ষী গোপাল বলা হয়।
Explanation
কাউকে সম্বোধন বা আহ্বান করে কিছু বলার সময় সম্বোধন পদের পরে কমা (,) বসে। যেমন: ‘রহিম, এদিকে এসো’। বাক্যে অর্থের স্পষ্টতা এবং বিরতি নির্দেশ করতে এই যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
Explanation
শুদ্ধ বানানটি হলো ‘স্বায়ত্ত’। এর অর্থ হলো নিজের আয়ত্তে বা শাসনে থাকা। এখানে ‘স্ব’ (নিজ) এবং ‘আয়ত্ত’ (অধীন) মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে, তাই বানানে ‘য়’-এর সাথে ‘ত্ত’ যুক্ত হবে।
Explanation
‘চতুষ্পদ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ‘চতুঃ + পদ’। বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে, বিসর্গের পর ‘প’ থাকলে এবং বিসর্গের আগে ‘উ’ ধ্বনি থাকলে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে ‘ষ’ হয়।
Explanation
‘মানব’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো ‘মনু + ষ্ণ’। এখানে ‘মনু’ হলো নাম প্রকৃতি এবং ‘ষ্ণ’ (বা অ) হলো তদ্ধিত প্রত্যয়। মনুর অপত্য বা সন্তান অর্থে ‘মানব’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
Explanation
‘পাপে বিরত থাকো’—এখানে ‘পাপ’ থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহিত, জাত, বিরত, আরম্ভ, বা রক্ষিত হয়, তা অপাদান কারক। আর ‘এ’ বিভক্তি থাকায় এটি অপাদানে ৭মী।
Explanation
বিভক্তিহীন নামপদকে ‘প্রাতিপদিক’ বলে। কোনো শব্দের সাথে বিভক্তি যুক্ত না হলে সেটি বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে মূল শব্দটিকে প্রাতিপদিক বলা হয়। যেমন: ‘হাত’, ‘বই’।
Explanation
Edition শব্দের পারিভাষিক অর্থ হলো ‘সংস্করণ’। বই বা পত্রিকার কোনো নির্দিষ্ট সময়ে প্রকাশিত রূপকে এডিশন বা সংস্করণ বলা হয়। Editor অর্থ সম্পাদক এবং Editorial অর্থ সম্পাদকীয়।