সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
পল্লীকবি জসীমউদদীনের অমর সৃষ্টি ‘কবর’ কবিতাটি ছাত্রাবস্থায় ১৯২৫ সালে ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। মাত্র্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত এই কবিতায় গ্রামীণ জীবনের শোক ও স্মৃতির এক করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে।
Explanation
এই বিখ্যাত পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘বলাকা’ কবিতার অংশ। ১৯১৬ সালে প্রকাশিত এই কাব্যে কবি গতিবাদ ও তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন। ঝিলম নদীর প্রেক্ষাপটে কবি গতির দর্শন তুলে ধরেছেন।
Explanation
অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে চরণের শেষে অন্ত্যমিল থাকে না। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে এই ছন্দের প্রবর্তন করেন, যা ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা দেয় এবং প্রতিটি পঙক্তিতে ১৪টি অক্ষর বা মাত্রা বজায় রাখে।
Explanation
‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ নামক গবেষণামূলক গ্রন্থটি রচনা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ এবং ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন।
Explanation
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি রোমান্টিক উপন্যাস। নামের শেষে ‘কবিতা’ থাকলেও এটি মূলত একটি উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। অমিত ও লাবণ্যের প্রেম এবং আধুনিকতা বনাম রোমান্টিকতার দ্বন্দ্ব এর মূল উপজীব্য।
Explanation
‘ধুমকেতু’ কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি বিখ্যাত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা। ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমেই নজরুল ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন এবং পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
Explanation
পল্লীকবি জসীমউদদীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘রাখালী’। এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যে কবির পল্লীপ্রীতি, গ্রামীণ প্রকৃতি এবং সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবনের ছবি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
Explanation
‘রাইফেল রোটি আওরাত’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাস। এর রচয়িতা হলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেন।
Explanation
‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ১৯৩০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি কৃষ্ণনগরের পটভূমিতে দারিদ্র্য ও ক্ষুধার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। ‘আলেয়া’ ও ‘মধুমালা’ তাঁর নাটক, এবং ‘ঝিলিমিলি’ একটি নাটক সংকলন।
Explanation
‘মা যে জননী কান্দে’ পল্লীকবি জসীমউদদীনের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৬৩ সালে প্রকাশিত হয়। মাতৃত্বের মহিমা এবং গ্রামীণ মায়ের শাশ্বত রূপ ও বেদনা এই কাব্যের কবিতাগুলোতে আবেগময় ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে।