সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
এই রোমান্টিক ও আবেগময় কবিতাংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের রচনা। এটি তাঁর ‘হারামণি’ নামক একটি জনপ্রিয় গানের অংশ। বিরহী প্রেমিকের আর্তি এবং মান ভাঙানোর চেষ্টা এই গানের কথা ও সুরে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
Explanation
বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা সাহিত্যের ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন কারণ তাঁর কবিতাতেই প্রথম আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার সুরেলা ও আত্মমগ্ন রূপটি ফুটে উঠেছিল।
Explanation
মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘বসন্তকুমারী’ (১৮৭৩) নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত সার্থক নাটক। এর আগে মুসলিম লেখকরা মূলত কাব্য বা পুঁথি রচনা করলেও নাটক রচনায় মীর মশাররফ হোসেনই প্রথম এগিয়ে আসেন।
Explanation
প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। মোগল সম্রাট আকবরের সভার বিদূষক বীরবলের মতো তাঁর লেখাতেও ছিল তীব্র বুদ্ধিমত্তা, শ্লেষ এবং হাস্যরস। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
Explanation
‘আমীর হামজা’ একটি বিখ্যাত দোভাষী পুঁথি। এর প্রথম অংশ রচনা শুরু করেন ফকির গরীবুল্লাহ, কিন্তু তিনি শেষ করতে পারেননি। পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা কাব্যটির অসমাপ্ত অংশ শেষ করেন। তাই রচয়িতা হিসেবে সৈয়দ হামজার নামও স্বীকৃত।
Explanation
‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো গোবিন্দলাল ও রোহিণী। জমিদার পরিবারের সন্তান গোবিন্দলালের সাথে বিধবা রোহিণীর প্রেম, পলায়ন এবং শেষ পর্যন্ত রোহিণীর করুণ পরিণতি উপন্যাসের মূল কাহিনী।
Explanation
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। সেই হিসেবে ১৯৬১ সালে তাঁর জন্ম শতবার্ষিকী সাড়ম্বরে পালিত হয়। সারা বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশে এই বছরটি রবীন্দ্র চর্চা ও উদযাপনের এক বিশেষ বছর ছিল।
Explanation
ফররুখ আহমদের ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যের প্রধান উপজীব্য হলো ইসলামের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য। এই কাব্যে তিনি সিন্ধুবাদ নাবিকের প্রতীকের মাধ্যমে মুসলিম জাতিকে তাদের অতীত ঐতিহ্য স্মরণ করিয়ে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
Explanation
‘অনল প্রবাহ’ সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ১৯০০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি মুসলিম জাতিকে জাগরণের আহ্বান জানিয়ে উদ্দীপনামূলক কবিতা লেখেন, যার ফলে ব্রিটিশ সরকার এটি নিষিদ্ধ করেছিল।
Explanation
‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ। ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই কাব্যে কবির নির্জনতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং বিষাদগ্রস্ততা ধূসর রঙের আবহে অত্যন্ত গভীরভাবে এবং চিত্রকল্পময় ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।