সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’র ইংরেজি অনুবাদক সৈয়দ আলী আহসান। তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন। তাঁর অনূদিত রূপটিই সরকারিভাবে স্বীকৃত।
Explanation
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও সমৃদ্ধ শাখা হলো মঙ্গলকাব্য। দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এই কাব্যগুলোতে তৎকালীন বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র পাওয়া যায়।
Explanation
‘মরুভাস্কর’ মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী রচিত একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ, যা হযরত মুহম্মদ (স)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে রচিত। তাঁর সাবলীল গদ্যশৈলী এই গ্রন্থটিকে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে।
Explanation
মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য হলো ‘ইউসুফ জোলেখা’। শাহ মুহম্মদ সগীর সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এই রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানটি রচনা করেন।
Explanation
ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত ‘মহুয়া’ পালাটির রচয়িতা দ্বিজ কানাই। মহুয়া ও নদের চাঁদের অমর প্রেমকাহিনী নিয়ে রচিত এই পালাটি লোকসাহিত্যের এক অনবদ্য সম্পদ।
Explanation
আধুনিক বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ বলা হয় মীর মশাররফ হোসেনকে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে তিনি আধুনিক গদ্য ও উপন্যাসে মুসলিম সমাজের কথা তুলে ধরে সাহিত্যচর্চায় এক নতুন ধারার সূচনা করেন।
Explanation
পল্লীকবি জসীম উদ্দীন ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনকে তাঁর কাব্যে অনন্য সাধারণ রূপে ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
Explanation
‘ভ্রান্তিবিলাস’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা একটি গদ্যগ্রন্থ। এটি শেক্সপিয়রের ‘The Comedy of Errors’ নাটকের গদ্য অনুবাদ। বিদ্যাসাগর এটিকে অত্যন্ত প্রাঞ্জল বাংলায় রূপান্তর করেছেন।
Explanation
‘কপালকুণ্ডলা’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা দ্বিতীয় এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক উপন্যাস। ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে নবকুমার ও কপালকুণ্ডলার বিয়োগান্তক প্রেমের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
Explanation
‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র রয়েছে, যা নারীদের জবানিতে স্বামীদের প্রতি লেখা হয়েছে।