সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
অনুবাদের পারদর্শিতা মূলত ‘ভাষান্তরের’ বা ভাষা থেকে ভাষায় রূপান্তরের দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। উৎস ভাষার ভাব বজায় রেখে লক্ষ্য ভাষায় তা সাবলীলভাবে প্রকাশ করাই সার্থক অনুবাদ।
Explanation
‘ডাইনী’ একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ, কারণ এর কোনো সাধারণ পুরুষবাচক শব্দ নেই। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো সর্বদা স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।
Explanation
কাউকে সম্বোধন বা আহ্বান করে কিছু বলা হলে সেই সম্বোধন পদের পরে ‘কমা’ (,) বসে। যেমন- ‘রহিম, এদিকে এসো।’ এটি বাক্যে সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।
Explanation
ব্যাসবাক্যের অপর নাম ‘বিগ্রহ বাক্য’। সমাসবদ্ধ পদ বা সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ তৈরি করা হয়, তাকেই ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য বলে। যেমন- ‘বিলাত ফেরত’ এর বিগ্রহ বাক্য ‘বিলাত হতে ফেরত’।
Explanation
বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি কিন্তু দাড়ি অপেক্ষা কম বিরতির প্রয়োজন হলে ‘সেমিকোলন’ (;) ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত দুটি স্বাধীন বাক্যের মধ্যে সংযোগ বা অর্থের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বসে।
Explanation
চলিত ভাষারীতি ‘পরিবর্তনশীল’। এটি কালের বিবর্তনে এবং স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। এটি চটুল, জীবন্ত এবং তদ্ভব শব্দবহুল, যা মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
Explanation
বাংলা ভাষা ‘ইন্দো-ইউরোপীয়’ ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত। ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে ইন্দো-ইরানীয়, এরপর ভারতীয় আর্য ভাষা হয়ে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে।
Explanation
ঐতিহ্যগত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় প্রধানত ১২টি যতি বা ছেদ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। তবে আধুনিক ব্যাকরণে এর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কিন্তু প্রথাগত উত্তরে ১২টিই ধরা হয়।
Explanation
শ্রদ্ধেয়া বা সম্মানীয়া নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে ‘শ্রদ্ধাস্পদাসু’ ব্যবহার করা হয়। শেষে ‘আসু’ প্রত্যয় স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করে। পুরুষ হলে ‘শ্রদ্ধাস্পদেষু’ হতো।
Explanation
চিঠি বা পত্রের শিরোনামের প্রধান ও অপরিহার্য অংশ হলো ‘প্রাপকের ঠিকানা’। এটি ছাড়া চিঠি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। খামের ওপর ডানদিকে এটি লিখতে হয়।