সাহিত্য - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

1944 Total Questions
Back to Category
A
অভ্যাসের
B
পড়াশুনার
C
ভাষান্তরের
D
নির্ধারণের

Explanation

অনুবাদের পারদর্শিতা মূলত ‘ভাষান্তরের’ বা ভাষা থেকে ভাষায় রূপান্তরের দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। উৎস ভাষার ভাব বজায় রেখে লক্ষ্য ভাষায় তা সাবলীলভাবে প্রকাশ করাই সার্থক অনুবাদ।

A
ডাইনী
B
সম্রাজ্ঞী
C
মানুষ
D
সভানেত্রী

Explanation

‘ডাইনী’ একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ, কারণ এর কোনো সাধারণ পুরুষবাচক শব্দ নেই। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো সর্বদা স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।

A
বাক্যের মাঝে কোনোপদ ব্যাখ্যা করার জন্য
B
প্রশ্ন বোঝানের জন্য
C
সম্বোধন পদের পর
D
কোনো অপূর্ণ বাক্যের পর

Explanation

কাউকে সম্বোধন বা আহ্বান করে কিছু বলা হলে সেই সম্বোধন পদের পরে ‘কমা’ (,) বসে। যেমন- ‘রহিম, এদিকে এসো।’ এটি বাক্যে সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।

A
যৌগিক বাক্য
B
বিগ্রহ বাক্য
C
সমস্ত পদ
D
সমস্যামান পদ

Explanation

ব্যাসবাক্যের অপর নাম ‘বিগ্রহ বাক্য’। সমাসবদ্ধ পদ বা সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ তৈরি করা হয়, তাকেই ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য বলে। যেমন- ‘বিলাত ফেরত’ এর বিগ্রহ বাক্য ‘বিলাত হতে ফেরত’।

A
সেমিকোলন
B
কোলন
C
ড্যাস
D
হাইফেন

Explanation

বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি কিন্তু দাড়ি অপেক্ষা কম বিরতির প্রয়োজন হলে ‘সেমিকোলন’ (;) ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত দুটি স্বাধীন বাক্যের মধ্যে সংযোগ বা অর্থের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বসে।

A
গুরুগম্ভীর
B
কৃ্ত্রিম
C
পরিবর্তনশীল
D
তৎসম শব্দবহুল

Explanation

চলিত ভাষারীতি ‘পরিবর্তনশীল’। এটি কালের বিবর্তনে এবং স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। এটি চটুল, জীবন্ত এবং তদ্ভব শব্দবহুল, যা মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

A
দ্রাবিড়
B
ইউরালীয়
C
ইন্দো-ইউরোপীয়
D
সেমিটেক

Explanation

বাংলা ভাষা ‘ইন্দো-ইউরোপীয়’ ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত। ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে ইন্দো-ইরানীয়, এরপর ভারতীয় আর্য ভাষা হয়ে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে।

A
৯টি
B
১০টি
C
১১টি
D
১২টি

Explanation

ঐতিহ্যগত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় প্রধানত ১২টি যতি বা ছেদ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। তবে আধুনিক ব্যাকরণে এর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কিন্তু প্রথাগত উত্তরে ১২টিই ধরা হয়।

A
কল্যাণীয়েষু
B
সুচরিতেষু
C
শ্রদ্ধাস্পদাসু
D
প্রীতিভাজনেষু

Explanation

শ্রদ্ধেয়া বা সম্মানীয়া নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে ‘শ্রদ্ধাস্পদাসু’ ব্যবহার করা হয়। শেষে ‘আসু’ প্রত্যয় স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করে। পুরুষ হলে ‘শ্রদ্ধাস্পদেষু’ হতো।

A
ডাক টিকিট
B
পোস্টাল কোড
C
প্রেরকের ঠিকানা
D
প্রাপকের ঠিকানা

Explanation

চিঠি বা পত্রের শিরোনামের প্রধান ও অপরিহার্য অংশ হলো ‘প্রাপকের ঠিকানা’। এটি ছাড়া চিঠি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। খামের ওপর ডানদিকে এটি লিখতে হয়।