অন্যান্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
মুসলিম আইনে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে বা স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে প্রদত্ত দান বা হেবা সাধারণত প্রত্যাহারযোগ্য নয়। একবার দখল হস্তান্তর হয়ে গেলে বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে এই দান আর ফিরিয়ে নেওয়া যায় না, যদি না আদালতের ডিক্রি থাকে।
Explanation
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ডিক্রির টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আদালত দায়িক বা দেনাদারকে অনূর্ধ্ব ৩ মাস পর্যন্ত দেওয়ানী কারাদণ্ড প্রদান করতে পারেন। তবে টাকা পরিশোধ করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
Explanation
হিন্দু দায়ভাগ আইন অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে পুত্র, পৌত্র (মৃত পুত্রের পুত্র) এবং প্রপৌত্ররা পিণ্ডদানের অধিকার বলে উত্তরাধিকারী হন। কন্যারা সাধারণত জীবনস্বত্ব পায় বা পুত্রের বর্তমানে অংশ পায় না। এখানে পুত্র সম্পূর্ণ বা প্রধান অংশ পাবে (১/২ অংশ সাধারণত হয় না, তবে প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী ১/২ সেরা উত্তর)।
Explanation
মুসলিম ফারায়েজ আইন অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির সন্তান না থাকলে পিতা 'আসাবা' হিসেবে অবশিষ্টভোগী হন, তবে মা ও স্বামী/স্ত্রী থাকলে তাদের অংশ দেওয়ার পর বাকিটা পান। সন্তানহীন অবস্থায় মা ১/৩ এবং বাকিটা পিতা পান। সন্তান না থাকায় পিতা সাধারণত ২/৩ বা ১/২ এর বেশি পান, তবে প্রশ্নে ১/২ উত্তরটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
Explanation
১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৪ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তার মৃত ছেলে বা মেয়ের সন্তানরা (নাতি-নাতনি) তাদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে যে অংশ পেতেন, সেই অংশটি উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করবেন। তাই মৃত পুত্রের সন্তান তার পিতার প্রাপ্য অংশ (১/২) পাবেন।
Explanation
তামাদি আইন অনুযায়ী দেনমোহর আদায়ের মামলার মেয়াদ ৩ বছর। তলবকারী (Prompt) দেনমোহরের ক্ষেত্রে দাবির পর এবং স্থগিত (Deferred) দেনমোহরের ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ বা মৃত্যুর পর থেকে এই ৩ বছর গণনা শুরু হয়।
Explanation
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী এই আইনের অধীনে অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার প্রথম শ্রেণীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের উপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
Explanation
অভিযোগ গঠনের শুনানিকালে (Charge Hearing) আদালত মূলত প্রসিকিউশনের নথিপত্র বিবেচনা করেন। আসামী পক্ষের দাখিলকৃত বিতর্কিত দলিল বা সাক্ষ্য এই পর্যায়ে সাধারণত বিবেচনা করা হয় না, কারণ এটি বিচারের মূল অংশের (Trial) বিষয়বস্তু।
Explanation
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫সি (265C) ধারা অনুযায়ী, দায়রা আদালতে অভিযোগ গঠনের শুনানির পর বিচারক যদি মনে করেন যে আসামীর বিরুদ্ধে মামলার পর্যাপ্ত ভিত্তি নেই, তবে তিনি আসামীকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারেন।
Explanation
দণ্ডবিধি বা পেনাল কোডের ৫৩ ধারা অনুযায়ী দণ্ড ৫ প্রকার: ১. মৃত্যুদণ্ড, ২. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৩. কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), ৪. সম্পত্তির বাজেয়াপ্তকরণ এবং ৫. অর্থদণ্ড। পূর্বে দ্বীপান্তর ছিল যা বর্তমানে বিলুপ্ত।