প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৯-২য় ধাপ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি এবং মূল উপকরণ হলো বাক্য। ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক যা মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত হয়। অন্যদিকে, মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশের জন্য কতগুলো শব্দ সুবিন্যস্ত হয়ে বাক্য গঠন করে, যা ভাষার বৃহত্তম একক হিসেবে বিবেচিত।
Explanation
‘বেলা অবেলা কালবেলা’ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি। ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে সমকালীন বাস্তবতা ও সময়ের বিপন্নতা ফুটে উঠেছে।
Explanation
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। ‘দেশান্তর’ শব্দটি নিত্য সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য হলো ‘অন্য দেশ’। অপব্যয় (প্রাদি), বাগদত্তা (তৎপুরুষ) ও বনজ (উপপদ তৎপুরুষ) ভিন্ন সমাস।
Explanation
বিরাম চিহ্নের অপর নাম হলো ছেদ চিহ্ন। বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে যে বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন বলা হয়। বাংলা ভাষায় দাড়ি, কমা, সেমিকোলনসহ বিভিন্ন ছেদ চিহ্নের ব্যবহার রয়েছে।
Explanation
‘অক্ষির সমীপে’ বাক্য সংকোচন করলে হয় ‘সমক্ষ’। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। অন্যদিকে ‘অক্ষির অভিমুখে’ হলে ‘প্রত্যক্ষ’ এবং ‘অক্ষির অগোচরে’ হলে ‘পরোক্ষ’ হতো। সঠিক উত্তর তাই সমক্ষ।
Explanation
‘ষোড়শ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ‘ষট্ + দশ’। এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ, অর্থাৎ এটি সাধারণ সন্ধির নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলে না। সঠিক রূপটি তাই ‘ষট্ + দশ = ষোড়শ’।
Explanation
শুদ্ধ বানানটি হলো ‘দুরবস্থা’ (দুঃ + অবস্থা)। তাই সঠিক বাক্যটি হলো ‘আমার বড় দুরবস্থা’। ‘দূরাবস্থা’ বা ‘দূরবস্থা’ বানানগুলো ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। নেতিবাচক বা মন্দ অর্থে ‘দুর’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়, যেখানে উ-কার হ্রস্ব হয়।
Explanation
‘কুসুমিত’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘কুসুম’ শব্দের সাথে ‘ইত’ তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে। অর্থাৎ, কুসুম + ইত = কুসুমিত। এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ ‘কুসুম’ একটি নাম শব্দ বা প্রাতিপাদিক।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি। এগুলো হলো স্বরবর্ণের ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণের ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)। পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি এবং অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি।
Explanation
‘অঘা’ (অঘারাম) এবং ‘অজ’ (অজপাড়া) হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আছে, যেমন- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব ইত্যাদি। এগুলো দেশি শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।