প্রত্যয় - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘শুভেচ্ছা’ শব্দটি সন্ধিযোগে গঠিত (শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা)। এটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ নয়। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘সভাসদ’ (উপপদ তৎপুরুষ), ‘ফলবান’ (তদ্ধিত প্রত্যয়) এবং ‘তম্বী’ (স্ত্রী প্রত্যয়) প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ।
Explanation
‘খন্ডিত’ শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত। এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: খণ্ড + ইত। বাকি শব্দগুলো উপসর্গযোগে গঠিত, যেমন- প্র + লয় = প্রলয়, নি + শ্বাস = নিঃশ্বাস, এবং ন (নাই) উপমা যার = অনুপম।
Explanation
‘মেছো’ শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত। এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো মাছ + উয়া > ও = মেছো। সাধারণত উপকরণ বা জীবিকা অর্থে এই প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। এখানে এটি জীবিকা বা উপকরণ অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে।
Explanation
‘উৎকর্ষ’ শব্দটি নিজেই বিশেষ্য পদ। এর সাথে নতুন করে ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। এটি প্রত্যয়জনিত বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট। শুদ্ধ রূপটি হবে ‘উৎকর্ষ’ বা ‘উৎকৃষ্টতা’ (উৎকৃষ্ট + তা)।
Explanation
ধাতুর পর ‘আই’ প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য গঠন করা হয়। যেমন: বড় + আই = বড়াই, চড়্ + আই = চড়াই। এটি ক্রিয়া বা গুণের ভাব প্রকাশ করে।
Explanation
‘দোলনা’ শব্দটি ‘দুল্’ ধাতু থেকে এসেছে। এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: √দুল্ + অনা (না) = দোলনা। এখানে গুণ সূত্রে ধাতুর আদিস্বর ‘উ’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ও’ হয়েছে (দুল্ > দোল্)।
Explanation
‘উৎকর্ষতা’ শব্দটি অশুদ্ধ কারণ ‘উৎকর্ষ’ নিজেই বিশেষ্য। তাই শুদ্ধ রূপ হবে ‘উৎকৃষ্ট’ (বিশেষণ) অথবা ‘উৎকর্ষ’ (বিশেষ্য)। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘উৎকৃষ্ট’ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
Explanation
‘পাঠক’ শব্দটি ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত (√পঠ্ + অক/ণক)। অন্য শব্দগুলো নাম শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত (তদ্ধিত প্রত্যয়), যেমন- ঠগ + ঈ = ঠগী, পানসে, সেলামী। পাঠক কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।
Explanation
‘সৃষ্টি’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √সৃজ্ + তি। এখানে ‘সৃজ্’ হলো ধাতু এবং ‘তি’ (ক্তি) হলো প্রত্যয়। সন্ধির নিয়মে জ্ এর স্থানে ষ্ এবং ত এর স্থানে ট হয়েছে।
Explanation
‘সৃষ্টি’ শব্দের সঠিক বিশ্লেষণ হলো √সৃজ্ + তি = সৃষ্টি। এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। উচ্চারণের সুবিধার্থে এবং সন্ধির নিয়মে এটি পরিবর্তিত হয়েছে।