প্রত্যয় - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

198 Total Questions
Back to Category
A
সন্ধিজনিত
B
প্রত্যয়জনিত
C
উপসর্গজনিত
D
বিভক্তিজনিত

Explanation

বিশেষ্য পদের সাথে পুনরায় বিশেষ্য গঠনকারী প্রত্যয় যোগ করলে বাহুল্য দোষ হয়। ‘উৎকর্ষ’ নিজেই বিশেষ্য, তাই এর সাথে ‘তা’ যোগ করা ভুল। এটি প্রত্যয়জনিত অশুদ্ধি।

A
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
B
সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
C
নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
D
ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি

Explanation

অন্তরীপ (অন্তর্গত অপ্ যার) শব্দটি সাধারণ নিয়মে গঠিত না হয়ে বিশেষ নিয়মে গঠিত হয়েছে, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।

A
নীল + মা = নীলিমা
B
নীল + ইমন = নীলিমা
C
নী + ইলিমা = নীলিমা
D
নিলী + মা = নীলিমা

Explanation

‘নীলিমা’ শব্দটি বিশেষ্য। নীল শব্দের সাথে ‘ইমন’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নীলিমা গঠিত হয় (নীল + ইমন = নীলিমা)। এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম।

A
অরণ্যানী
B
চাকরানী
C
ভাগনী
D
মেধাবিনী

Explanation

মেধাবী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হলো মেধাবিনী। এখানে ‘ইন’ ভাগান্ত শব্দের শেষে দীর্ঘ-ঈ এবং ‘নী’ যোগে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে। অপশনগুলোর মধ্যে ‘মেধাবিনী’ শব্দটি ‘নী’ প্রত্যয় যোগে গঠিত।

A
মনু + ষ্ণ
B
মনু + অব
C
মা + নব
D
মান + অব

Explanation

‘মানব’ শব্দটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত। এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: মনু + ষ্ণ (অ) = মানব। এখানে ‘ষ্ণ’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটেছে (ম > মা)।

A
মহি + মা
B
মহৎ + ইমন
C
মহা + ইমা
D
মহিম + আ

Explanation

‘মহিমা’ শব্দটি বিশেষ্য পদ। মহৎ বা মহান শব্দের সাথে ‘ইমন’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহিমা গঠিত হয়। সঠিক বিশ্লেষণ: মহৎ + ইমন = মহিমা।

A
শিশু + ষ্ণ
B
শিশু + ষ্ণ্য
C
শিশু + শব
D
শৈ + শব

Explanation

‘শৈশব’ শব্দটি ‘শিশু’ শব্দ থেকে উদ্ভূত। শিশু + ষ্ণ (অ) = শৈশব। এখানে ‘ষ্ণ’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার ফলে আদি স্বর ‘ই’ বৃদ্ধি পেয়ে ‘ঐ’ হয়েছে।

A
সাৎ
B
সা
C
ষ্ণেয়
D
ষ্ণিক

Explanation

‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদে সাধারণত মূর্ধন্য ‘ষ’ হয় না, দন্ত্য ‘স’ ব্যবহৃত হয়। যেমন: ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ। এটি ণত্ব ও ষত্ব বিধানের একটি নিয়ম।

A
কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে
B
কৃৎ-প্রকৃতির অন্তস্বরের পরিবর্তনকে
C
নাম-প্রকৃতির পরিবর্তনকে
D
প্রাতিপদিকের পরিবর্তনকে

Explanation

প্রত্যয় যোগ করলে প্রকৃতির আদি স্বরের যে পরিবর্তন হয়, তাকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়। এটি মূলত কৃৎ-প্রকৃতির (ধাতুর) আদিস্বরের পরিবর্তনকে নির্দেশ করে।

A
শৈব
B
সৌর
C
দৈব
D
চৈত্র

Explanation

‘সৌর’ শব্দটি ‘সূর্য’ থেকে এসেছে (সূর্য + ষ্ণ)। এটি সাধারণ নিয়ম মেনেই হয়েছে। কিন্তু প্রদত্ত প্রশ্নে ‘সৌর’ উত্তর দেওয়া হলেও, ব্যাকরণগতভাবে ‘সৌর’ নিপাতনে সিদ্ধ নয়। তবে প্রচলিত প্রশ্নে এটিই উত্তর ধরা হয়।