শব্দ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘অষ্টরম্ভা’ বা ‘অশ্বডিম্ব’ বাগধারাটির অর্থ হলো ‘শূন্য’ বা ‘ফাঁকি’ বা ‘কিছুই না’।
Explanation
‘অতঃপর’ শব্দটি ‘অনন্তর’ শব্দের সমার্থক এবং ব্যাকরণগতভাবে এর মূল বা প্রতিশব্দ হিসেবে ‘অনন্তর’ ধরা হয় যা পরবর্তী সময় নির্দেশ করে।
Explanation
‘কদাকার’ শব্দে ‘কদ্’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে। ‘কদ্’ একটি দেশি (বা খাঁটি বাংলা) উপসর্গ যা নিন্দা বা অপকর্ষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। (যেমন: কদবেল, কদাকার)।
Explanation
বিদেশি শব্দে এবং খাঁটি বাংলা শব্দে মূর্ধন্য ‘ষ’ এর ব্যবহার হয় না। ‘ষ’ কেবল তৎসম শব্দে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘সাহচর্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘সহচর’ শব্দের সাথে ‘ষ্ণ্য’ (য) প্রত্যয় যোগ করে। সহচর + য = সাহচর্য।
Explanation
‘আদালত’ একটি আরবি শব্দ। বিচার ব্যবস্থা সংক্রান্ত অধিকাংশ শব্দই (যেমন: এজলাস, রায়, উকিল, মুক্তার) আরবি ভাষা থেকে এসেছে।
Explanation
‘না’ একটি অব্যয় পদ (না-বাচক অব্যয়)। এটি বাক্যে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘ব্যাকরণ’ শব্দটি তৎসম শব্দ। এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং এর গঠনও সংস্কৃত ব্যাকরণ মেনে।
Explanation
‘টাপুর টুপুর’ বৃষ্টির শব্দের অনুকরণে তৈরি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। এটি কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয়, বরং ধ্বনির অনুভূতি প্রকাশ করে।
Explanation
‘কপোত’ শব্দের অর্থ কবুতর বা পায়রা। এটি একটি তৎসম শব্দ।