সমার্থক শব্দ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

670 Total Questions
Back to Category
A
শিকার
B
ভান
C
ভাসা
D
শীল

Explanation

‘মৃগয়া’ শব্দের অর্থ হলো শিকার করা। প্রাচীনকালে রাজারা মৃগয়ায় যেতেন, অর্থাৎ পশু শিকারে যেতেন। তাই এর সঠিক অর্থ ‘শিকার’। ভাসা বা শীল এর অর্থ নয়।

A
অংশু
B
জ্যোতি
C
ভাতি
D
অনল

Explanation

আগুনের সমার্থক শব্দ অনল। অংশু (কিরণ), জ্যোতি (আলো), ভাতি (দীপ্তি) আগুনের সমার্থক নয়। সঠিক উত্তর ‘অনল’।

A
জলধি
B
নদী
C
সলিল
D
আকাশ

Explanation

‘তটিনী’ (বানান ভেদে তটিনী) শব্দের অর্থ হলো নদী। যার তট বা কূল আছে। জলধি মানে সাগর, সলিল মানে জল। সঠিক উত্তর ‘নদী’।

A
পাবক
B
পবন
C
বহ্নি
D
অনল

Explanation

পাবক, বহ্নি, অনল - এই তিনটিই আগুনের সমার্থক শব্দ। কিন্তু ‘পবন’ শব্দের অর্থ হলো বাতাস। তাই ‘পবন’ এই গ্রুপের সমার্থক শব্দ নয়।

A
অত্যন্ত উষ্ণ
B
কুসুম কুসুম উষ্ণ
C
পাগড়ি
D
শীতের আমেজ

Explanation

‘উষ্ণীষ’ শব্দের অর্থ হলো পাগড়ি বা শিরস্ত্রাণ। প্রাচীনকালে মাথায় যে কাপড় বা মুকুট পরা হতো তাকে উষ্ণীষ বলা হতো। উষ্ণ বা গরমের সাথে এর সম্পর্ক নেই। সঠিক উত্তর ‘পাগড়ি’।

A
অমুদ
B
ভূ-ধর
C
শূন্য
D
নীর

Explanation

মেঘের সমার্থক শব্দ হলো জলদ, নীরদ, জীমূত, বারীদ। প্রদত্ত অপশনে ‘অমুদ’ (সম্ভবত অম্বুদ এর ভুল বানান) আছে। অম্বুদ মানে মেঘ। ভূ-ধর মানে পর্বত। নীর মানে জল। সঠিক উত্তর হিসেবে অম্বুদ (অমুদ) গ্রহণ করা যেতে পারে।

A
গোমতি
B
কৃষ্ণবেণী
C
কাবেরী
D
সবগুলো

Explanation

গঙ্গার সমার্থক শব্দ হলো জাহ্নবী, ভাগীরথী, বিষ্ণুপদী। প্রদত্ত অপশনগুলোতে গোমতি, কৃষ্ণবেণী, কাবেরী - সবই নদীর নাম, কিন্তু গঙ্গার প্রতিশব্দ নয়। প্রশ্নে ‘সবগুলো’ অপশন থাকলে সাধারণত ধরে নেওয়া হয় যে এগুলো নদীর সাধারণ প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বা প্রশ্নটিতে ত্রুটি আছে। তবে ‘সবগুলো’ উত্তর দেওয়া থাকলে সেটিই গ্রহণীয়। (গঙ্গা একটি নদী, বাকিগুলোও নদী)।

A
সোম
B
ভূষণ
C
নকশা
D
নভঃ

Explanation

চন্দ্রের সমার্থক শব্দ হলো সোম, শশী, বিধু, সুধাকর। প্রদত্ত অপশনে ‘সোম’ হলো চাঁদের সঠিক প্রতিশব্দ। ভূষণ (অলংকার) বা নভঃ (আকাশ) চন্দ্র নয়। সঠিক উত্তর ‘সোম’।

A
সৈকত
B
শৈল
C
সুধাংশু
D
সমুদ্র

Explanation

‘অর্ণব’ শব্দের অর্থ হলো সমুদ্র বা সাগর। সৈকত (তট), শৈল (পর্বত) বা সুধাংশু (চাঁদ) এর অর্থ নয়। সঠিক উত্তর ‘সমুদ্র’।

A
নীর
B
ত্বরিত
C
লোর
D
বিধু

Explanation

অশ্রু মানে চোখের জল। এর একটি কাব্যিক বা আঞ্চলিক প্রতিশব্দ হলো ‘লোর’। নীর মানে সাধারণ জল। বিধু মানে চাঁদ। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘লোর’ অশ্রুর প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।