সমার্থক শব্দ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

670 Total Questions
Back to Category
A
পাকক
B
বহ্নি
C
হুতাশন
D
প্রজ্বলিত

Explanation

পাবক, বহ্নি, হুতাশন - এই তিনটিই আগুনের সমার্থক বিশেষ্য পদ। কিন্তু ‘প্রজ্বলিত’ (যা জ্বলছে) হলো একটি বিশেষণ এবং এটি সরাসরি আগুনের নাম নয়। তাই ব্যাকরণগত ও অর্থগত সূক্ষ্ম বিচারে এটি অগ্নির সরাসরি প্রতিশব্দ হিসেবে গণ্য হয় না।

A
আত্মজ
B
নন্দন
C
তনয়
D
শৈলজ

Explanation

আত্মজ, নন্দন, তনয়, সুত - এগুলো সবই পুত্র বা ছেলের সমার্থক শব্দ। কিন্তু ‘শৈলজ’ মানে হলো যা শৈল বা পর্বত থেকে জন্মেছে (সাধারণত পাথর বা ঝর্ণা)। তাই ‘শৈলজ’ পুত্রের সমার্থক শব্দ নয়।

A
সুধাংশু
B
শশাঙ্ক
C
বিধু
D
আদিত্য

Explanation

সূর্যের প্রতিশব্দ হলো আদিত্য। সুধাংশু, শশাঙ্ক ও বিধু - এই তিনটিই চাঁদের সমার্থক শব্দ। আদিত্য বলতে অদিতি-পুত্র বা সূর্যকে বোঝায়। এটি বাংলা শব্দভাণ্ডারে বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ।

A
পাবক
B
মারুত
C
পবন
D
অনিল

Explanation

মারুত, পবন, অনিল, সমীরণ - এই সবই বাতাসের সমার্থক শব্দ। কিন্তু ‘পাবক’ শব্দের অর্থ হলো আগুন বা অগ্নি। তাই ‘পাবক’ বাতাসের সমার্থক শব্দ নয়, বরং এটি বাতাসের বিপরীত উপাদানের (আগুন) নাম।

A
চুল
B
কুন্তল
C
কেশ
D
কর

Explanation

‘চিকুর’ শব্দের অর্থ হলো চুল। কেশ, কুন্তল, অলক, শিরোরুহ - এগুলো সবই চুলের সমার্থক শব্দ। কিন্তু ‘কর’ শব্দের অর্থ হলো হাত, বা হাতির শুঁড়, বা কিরণ। তাই ‘কর’ চিকুরের সমার্থক নয়।

A
সবিতা
B
অবনী
C
সুধাকর
D
কলানিধি

Explanation

‘সবিতা’ হলো সূর্যের একটি বৈদিক নাম ও প্রতিশব্দ। অন্যদিকে ‘অবনী’ মানে পৃথিবী, ‘সুধাকর’ ও ‘কলানিধি’ হলো চাঁদের প্রতিশব্দ। তাই সূর্যের সঠিক প্রতিশব্দ হলো ‘সবিতা’।

A
নতুন
B
চিরন্তন
C
গ্রাম্য
D
কোনোটিই নয়

Explanation

‘সনাতন’ শব্দের অর্থ হলো যা চিরকাল ধরে চলে আসছে বা যা পুরনো কিন্তু এখনো বর্তমান। এর সঠিক অর্থ হলো চিরন্তন, শাশ্বত বা প্রথাগত। এটি নতুন বা গ্রাম্য বোঝায় না।

A
কালো
B
আত্মীয়
C
প্রতিবিম্ব
D
কলরব

Explanation

‘কুটুম্ব’ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো আত্মীয় বা স্বজন। বিশেষ করে বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয়দের অনেক সময় কুটুম বলা হয়। এর সাথে কালো, প্রতিবিম্ব বা কলরবের কোনো সম্পর্ক নেই।

A
প্রভা
B
জলদ
C
অন্তরীক্ষ
D
সমীর

Explanation

আকাশের প্রতিশব্দ হলো গগন, অম্বর, নভ, অন্তরীক্ষ, ব্যোম ইত্যাদি। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘অন্তরীক্ষ’ হলো আকাশের সমার্থক। জলদ (মেঘ), প্রভা (আলো), সমীর (বাতাস) আকাশের সমার্থক নয়।

A
চন্দ্র
B
সূর্য
C
মধু
D
মিষ্টি

Explanation

‘সুধা’ মানে অমৃত, আর ‘কর’ মানে যে দেয় বা আধার। সুধাকর বা সুধাংশু হলো চন্দ্র বা চাঁদের নাম। চাঁদকে অমৃতের ভাণ্ডার মনে করা হয়। তাই সুধাকর অর্থ চন্দ্র। সূর্য, মধু বা মিষ্টি এর অর্থ নয়।