সমার্থক শব্দ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

670 Total Questions
Back to Category
A
তরু
B
তৃণ
C
দ্রুম
D
পাদপ

Explanation

তরু, দ্রুম, এবং পাদপ—এই তিনটিই গাছের বা বৃক্ষের প্রতিশব্দ। 'বিটপী' শব্দের অর্থও গাছ। কিন্তু 'তৃণ' শব্দের অর্থ হলো ঘাস বা লতাগুল্ম, যা বড় গাছ বা বিটপী নয়।

A
মাতা
B
গর্ভধারিণী
C
জননী
D
মহিলা

Explanation

'মহিলা' শব্দটি নারীর একটি সাধারণ সমার্থক শব্দ। মাতা, জননী বা গর্ভধারিণী মা অর্থে নির্দিষ্ট, কিন্তু নারী বা মহিলা শব্দটি যেকোনো বয়সের স্ত্রীলোককে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

A
বাতিল
B
বেকুব
C
উন্মাদ
D
নির্বোধ

Explanation

'বাতুল' শব্দের অর্থ হলো পাগল, উন্মাদ বা মস্তিষ্কবিকৃত ব্যক্তি। বাতরোগগ্রস্ত বা বায়ুগ্রস্ত অর্থ থেকেও এটি এসেছে। তাই 'উন্মাদ' এর সঠিক সমার্থক শব্দ।

A
খেচর
B
বারি
C
গগন
D
পাথার

Explanation

'গগন' শব্দটি আকাশের বহুল প্রচলিত একটি সমার্থক শব্দ। খেচর মানে পাখি, বারি মানে জল, এবং পাথার মানে সমুদ্র। তাই গগনই সঠিক উত্তর।

A
হরি
B
বায়ুভুক
C
ত্রহি
D
সাপ

Explanation

সাপ, নাগ, ভুজঙ্গ—এগুলো সাপের সমার্থক। অপশনে 'হরি' (সিংহ/বিষ্ণু) বা 'বায়ুভুক' (সাপ) আছে। তবে 'ত্রহি' শব্দটি সাপের কোনো সমার্থক শব্দ নয়। এটি সাধারণত 'ত্রাহি' (বাঁচাও) অর্থে ব্যবহৃত হয়।

A
ধরা
B
ধরিত্রী
C
অবনী
D
ভূধর

Explanation

ধরা, ধরিত্রী, এবং অবনী—সবগুলোই পৃথিবীর নাম। কিন্তু 'ভূধর' মানে হলো পর্বত (যে ভূমিকে ধারণ করে)। তাই ভূধর পৃথিবীর সমার্থক নয়, বরং এটি পৃথিবীর উপরের পাহাড় বা পর্বতকে বোঝায়।

A
ভাল
B
গাল
C
চন্দ্র
D
কপাল

Explanation

'কপোল' শব্দের অর্থ হলো গাল। অনেকে 'কপাল' (ললাট) এর সাথে একে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু কপোল মানে মুখের দুই পাশের নরম অংশ বা গাল।

A
আপনভাগ্য
B
বিধাতার ইচ্ছা
C
অলঙ্গনীয়
D
কপালের কালি দিয়ে লেখা

Explanation

'কপালের লিখন' একটি বাগধারা যার অর্থ হলো ভাগ্যলিপি বা বিধাতার ইচ্ছা। বিশ্বাস করা হয় যে, মানুষের কপালে তার ভাগ্যের কথা লেখা থাকে যা খণ্ডানো যায় না।

A
মলিন
B
সহায়হীন
C
নিঃস্ব
D
বোকা

Explanation

'কপর্দক' মানে কড়ি বা পয়সা। যার একটিও কপর্দক নেই তাকে 'কপর্দকহীন' বা নিঃস্ব বলা হয়। এটি অত্যন্ত দরিদ্র অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত একটি বিশেষণ।

A
উপল
B
সমুদ্র
C
পৃথিবী
D
আকাশ

Explanation

'মেদিনী' শব্দটি পৃথিবীর একটি প্রতিশব্দ। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে মধু ও কৈটভ অসুরের মেদ থেকে পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছিল বলে একে মেদিনী বলা হয়।