সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘পুষ্পসৌরভ’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ‘পুষ্পের সৌরভ’। এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত। এই সমাসে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি (র, এর) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
Explanation
যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ‘জলে-স্থলে’ শব্দটিতে সপ্তমীর বিভক্তি ‘এ’ লোপ পায়নি, তাই এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের একটি সার্থক উদাহরণ।
Explanation
‘জজ সাহেব’ এর ব্যাসবাক্য হলো ‘যিনি জজ তিনিই সাহেব’। এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তিকে বোঝালে এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকলে তা কর্মধারয় সমাস হয়।
Explanation
‘আলোছায়া’ শব্দটির ব্যাসবাক্য ‘আলো ও ছায়া’। এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে ‘আলো’ ও ‘ছায়া’ দুটি পদের অর্থই সমানভাবে প্রাধান্য পেয়েছে এবং সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
Explanation
‘আনত’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘ঈষৎ নত’। এখানে ‘আ’ উপসর্গটি ‘ঈষৎ’ বা সামান্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, কারণ এখানে অব্যয় বা উপসর্গের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান।
Explanation
‘জ্যোৎস্নারাত’-এর ব্যাসবাক্য হলো ‘জ্যোৎস্না শোভিত রাত’। এখানে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত ‘শোভিত’ পদটি লোপ পেয়েছে। তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি উপযুক্ত উদাহরণ।
Explanation
সমাসের মূল উদ্দেশ্য হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করা। এর ফলে বাক্য বা বাক্যাংশ ছোট হয় এবং শ্রুতিমধুর হয়। তাই বলা হয় সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ ও শ্রুতিমধুর করে।
Explanation
‘নবান্ন’ শব্দটি সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত। এর ব্যাসবাক্য হলো ‘নব যে অন্ন’। এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। যদিও এখানে সন্ধিও হয়েছে, তবে শব্দ গঠনের মূল ব্যাকরণিক প্রক্রিয়া হিসেবে সমাসই প্রধান।
Explanation
‘লাঠালাঠি’ অর্থ লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই। একই পদের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বোঝালে তা ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়। এটি ব্যতিহার বহুব্রীহির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
Explanation
দ্বিগু সমাসের সংজ্ঞাই হলো পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষ্য হবে এবং সমাসবদ্ধ পদটি দ্বারা কোনো সমাহার বা সমষ্টি বোঝাবে। যেমন: তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা। এটি ব্যাকরণের একটি মৌলিক নিয়ম।