সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে। যেমন: নীল যে আকাশ = নীলাকাশ (এখানে আকাশ বা পরপদই প্রধান)।
Explanation
‘বাগদত্তা’ (বাক্ দ্বারা দত্তা) হলো তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস। এখানে ‘দ্বারা’ অনুসর্গ লোপ পেয়েছে এবং ‘বাক্’ মানে কথা।
Explanation
‘অনুধাবন’ (ধাবনের পশ্চাৎ) শব্দে ‘অনু’ উপসর্গটি ‘পশ্চাৎ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাস।
Explanation
‘পদ্মানাভ’ (পদ্ম নাভিতে যার) হলো ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস। কারণ দুটি পদের বিভক্তি ভিন্ন (পদ্ম-শূন্য, নাভিতে-সপ্তমী)। এটি বিষ্ণুকে নির্দেশ করে।
Explanation
‘প্রপিতামহ’ শব্দে ‘প্র’ উপসর্গটি ‘দূরবর্তী’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। পিতামহের পিতা বা তার পূর্ববর্তী বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
নিত্য সমাসে পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে, তাই আলাদা করে ব্যাসবাক্য করার প্রয়োজন হয় না, বা অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়।
Explanation
‘ঘরজামাই’ (ঘরে আশ্রিত জামাই) হলো মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। এখানে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত পদ ‘আশ্রিত’ লোপ পেয়েছে।
Explanation
‘শোকানল’ (শোক রূপ অনল) হলো রূপক কর্মধারয় সমাস। এখানে শোক (উপমেয়) এবং অনল (উপমান) এর মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়েছে।
Explanation
‘জনৈক’ (জন যে এক) হলো কর্মধারয় সমাস। সহকর্মী (সহ যে কর্মী) কর্মধারয়। তবে অপশনগুলোর মধ্যে ‘জনৈক’ কর্মধারয় হিসেবে উপযুক্ত। ‘পঙ্কজ’ উপপদ, ‘মধুমাখা’ তৎপুরুষ।
Explanation
যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদের শেষে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি বলে। যেমন: একগুঁয়ে (এ), দোটানা (আ)।