সন্ধি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘সদ্যোজাত’ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ থাকলে বিসর্গ ও অ-কার মিলে ও-কার হয়। সঠিক বিচ্ছেদ: সদ্যঃ + জাত।
Explanation
এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে, হ্রস্ব ই-কার কিংবা দীর্ঘ ঈ-কারের পর হ্রস্ব ই-কার কিংবা দীর্ঘ ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। তাই, রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র।
Explanation
‘দ্বৈপায়ন’ একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, অর্থাৎ এটি সাধারণ সন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে না। ব্যাকরণ অনুযায়ী এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ‘দ্বীপ’ শব্দের সাথে ‘অয়ন’ যুক্ত হয়ে ‘দ্বৈপায়ন’ গঠিত হয়।
Explanation
‘পরস্পর’ শব্দটি সন্ধির সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে গঠিত হয়নি। যে সন্ধিগুলো কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম অনুসারে হয় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। সঠিক বিচ্ছেদ: পর + পর।
Explanation
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ। ক্, চ্, ট্, ত্, প্-এর পরে স্বরবর্ণ থাকলে সেই বর্গের প্রথম বর্ণ তৃতীয় বর্ণে পরিবর্তিত হয় (ক -> গ)। এখানে বাক্ + আড়ম্বর = বাগাড়ম্বর হয়েছে।
Explanation
স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে, অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার কিংবা ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়। এখানে ‘জন’ (অ) + ‘এক’ (এ) মিলে ‘জনৈক’ (ঐ-কার) হয়েছে। সঠিক উত্তর: জন + এক।
Explanation
‘পরস্পর’ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ কারণ এটি সন্ধির সাধারণ কোনো নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। অন্যান্য শব্দগুলো নির্দিষ্ট ব্যঞ্জন বা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
Explanation
এটি র-জাত বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। ‘প্রাতঃ’ শব্দের বিসর্গ এবং পরবর্তী ‘আশ’ শব্দের স্বরবর্ণ মিলে ‘র’ উৎপন্ন হয়েছে, যা ‘রা’ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। তাই সঠিক বিচ্ছেদ: প্রাতঃ + আশ।
Explanation
সন্ধির ফলে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি দ্রুত উচ্চারিত হয়, যা উচ্চারণে স্বাচ্ছন্দ্য আনে এবং শব্দকে শ্রুতিমধুর করে। তাই সন্ধির প্রধান সুবিধা হলো উচ্চারণের সুবিধা ও সহজসাধ্যতা।
Explanation
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত। ট্-বর্গের পর স্বরবর্ণ থাকলে ট্ স্থানে ড্ (বা ড়্) হয়। এখানে ‘ষট্’ (ট্) + ‘ঋতু’ (ঋ) মিলে ‘ষড়ঋতু’ গঠিত হয়েছে। সঠিক উত্তর: ষট্ + ঋতু।