বাংলাদেশের সম্পদ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ২৫টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলো মূলত দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং জাতীয় শক্তি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ।
Explanation
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এবং দেশের গ্যাস সরবরাহে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
Explanation
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র মজুদ গ্যাসের পরিমাণের দিক থেকেও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়। এর মজুদ দেশের মোট গ্যাস মজুদের একটি বড় অংশ।
Explanation
বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল এলাকায় দুটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে - সাঙ্গু এবং কুতুবদিয়া। এগুলো অফশোর গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
Explanation
হরিপুরে বাংলাদেশের প্রথম গ্যাস আবিষ্কৃত হয়। এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত এবং ১৯৫৫ সালে এখানে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।
Explanation
১৯৫৫ সালে বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। সিলেটের হরিপুরে এই ঐতিহাসিক আবিষ্কার দেশের শক্তি খাতে নতুন যুগের সূচনা করে।
Explanation
১৯৫৭ সালে বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। আবিষ্কারের দুই বছর পর এই উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হয়।
Explanation
সাঙ্গু ভ্যালি বাংলাদেশের সমুদ্রাঞ্চলে আবিষ্কৃত প্রথম গ্যাসক্ষেত্র। এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এবং দেশের অফশোর গ্যাস উৎপাদনে অগ্রণী।
Explanation
মিথেন তিতাস গ্যাসের মূখ্য উপাদান, যা মোট গ্যাসের প্রায় ৯৫-৯৮% অংশ। এটি একটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হিসেবে ব্যাপক ব্যবহৃত হয়।
Explanation
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত। এটি দেশের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্র যা জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করে।