বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘ঠোঁট কাটা’ বাগধারাটি এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোনো প্রকার ভদ্রতা বা সংকোচ ছাড়াই মুখের ওপর সত্য কথা বলে দেয়। অর্থাৎ অত্যন্ত স্পষ্টভাষী ব্যক্তি।
Explanation
নৌকা বা জাহাজ যখন পুরোপুরি ডুবে যায়, তখন তাকে ভরাডুবি বলে। রূপক অর্থে মানুষের জীবনের বা ব্যবসার চূড়ান্ত বিপর্যয় বা সর্বনাশকে বোঝাতে ‘ভরাডুবি’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
Explanation
‘অক্কা পাওয়া’ হলো মৃত্যু বা মরে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত প্রচলিত বাগধারা। এটি সাধারণত গুরুগম্ভীর মৃত্যুর বদলে সাধারণ বা তুচ্ছ মৃত্যু বোঝাতে বেশি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
দুধের মাছি, সুখের পায়রা এবং লক্ষ্মীর বরযাত্রী—এই তিনটি বাগধারাই ‘সুসময়ের বন্ধু’ বোঝায়। কিন্তু ‘শরতের শিশির’ দ্বারা ‘ক্ষণস্থায়ী’ বস্তু বা সম্পর্ক বোঝায়, তাই এটি ভিন্নার্থক।
Explanation
‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটি দিয়ে প্রিয়জন বা গুণীজনদের সমাগম বোঝায়, যা আনন্দের পরিবেশ তৈরি করে। তাই এর সঠিক অর্থ হলো আনন্দের প্রাচুর্য বা জমজমাট আসর।
Explanation
জিলাপির আকৃতি প্যাঁচানো হওয়ায় মানুষের মনের কুটিলতা বা ধূর্তামিকে এর সাথে তুলনা করা হয়। তাই ‘জিলাপির প্যাঁচ’ বাগধারাটির অর্থ হলো কুটিল বা জটিল স্বভাব।
Explanation
যার কপাল বা ভাগ্য ভালো নয়, তাকে ‘আটকপালে’ বলা হয়। এটি মন্দভাগ্য বা হতভাগ্য ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। এর বিপরীত বাগধারা হলো ‘একাদশে বৃহস্পতি’।
Explanation
মাছ তার নিজের সন্তান খেয়ে ফেলে, তাই তার শোক করাটা যেমন ভান বা মিথ্যা, তেমনি কেউ যদি লোক দেখানো দুঃখ প্রকাশ করে, তবে তাকে ‘মাছের মায়ের পুত্রশোক’ বা মিথ্যা শোক বলা হয়।
Explanation
‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারাটি দিয়ে তোষামোদকারী বা মোসাহেবকে বোঝানো হয়। ঢাকের সাথে কাঠি যেমন অবিচ্ছেদ্য কিন্তু কেবল বাজানোর কাজেই লাগে, তেমনি চাটুকার ব্যক্তি বসের সাথে থাকে।
Explanation
ব্যাঙের কাছে একটি আধুলি বা আধ টাকার কয়েন অনেক বড় সম্পদ। তাই গরিবের সামান্য পুঁজি বা সম্বলকে ব্যঙ্গ করে বা রূপক অর্থে ‘ব্যাঙের আধুলি’ বলা হয়।