বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
অর্থের গরমে মানুষ যখন হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে বা খারাপ পথে চলে যায়, তখন সেই অবস্থাকে ‘তামার বিষ’ বা অর্থের কুপ্রভাব বলা হয়। এটি অর্থের নেতিবাচক শক্তিকে নির্দেশ করে।
Explanation
ঢাক বাজানোর সময় মূল বাদ্যযন্ত্রের সাথে বায়া থাকে যা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই ‘ঢাকের বায়া’ বাগধারাটি দিয়ে অপ্রয়োজনীয় বা মূল্যহীন বস্ত/ব্যক্তিকে বোঝানো হয়।
Explanation
‘খয়ের খাঁ’ বাগধারাটি মোসাহেব বা চাটুকার অর্থে ব্যবহৃত হয়। যারা বিনা বিচারে বা নিজের লাভের জন্য ক্ষমতাধরদের তোষামোদ করে, তাদের এই নামে ডাকা হয়।
Explanation
যার হাত থেকে সহজে টাকা বের হয় না বা যে খরচ করতে চায় না, তাকে ‘হাত-ভারি’ বলা হয়। অর্থাৎ এই বাগধারাটি কৃপণ বা মিতব্যয়ী (নেতিবাচক অর্থে) ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।
Explanation
শরতের শিশির সূর্য ওঠার সাথে সাথেই শুকিয়ে যায়, অর্থাৎ এটি বেশিক্ষণ টেকে না। তাই ‘শরতের শিশির’ বাগধারাটি দিয়ে ক্ষণস্থায়ী বস্তু বা সুসময়ের বন্ধুকে বোঝানো হয়।
Explanation
‘কেউ কেটা’ বাগধারাটি সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে বেশি ব্যবহৃত হয় (যেমন: সে এমন কোনো কেউকেটা নয়)। এর অর্থ হলো বিশিষ্ট, গণ্যমান্য বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
Explanation
‘পটল তোলা’ বাংলায় মৃত্যু অর্থে ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় বাগধারা। চোখের মণি উল্টে যাওয়াকে পটল চেরা চোখের সাথে তুলনা করে বা পটলের শুকিয়ে যাওয়ার সাথে তুলনা করে এই অর্থের উৎপত্তি হতে পারে।
Explanation
যে ব্যক্তি বয়সের ভারে এতটাই ন্যুব্জ যে মনে হয় শ্মশান ঘাটে যাওয়ার সময় হয়েছে, তাকে ‘ঘাটের মড়া’ বলা হয়। এটি অতি বৃদ্ধ ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
বলদ পিঠে চিনি বহন করলেও তার স্বাদ পায় না, কেবল ভারই বহন করে। তেমনি যে ব্যক্তি পরিশ্রম করে কিন্তু তার ফল ভোগ করতে পারে না, তাকে ‘চিনির বলদ’ বা নিষ্ফল পরিশ্রমকারী বলা হয়।
Explanation
‘নেই আঁকড়া’ বাগধারাটি জেদি বা একগুঁয়ে স্বভাবের মানুষকে নির্দেশ করে। যারা কোনো ভুল বা অযৌক্তিক বিষয়েও জেদ ধরে বসে থাকে, তাদের এই নামে অভিহিত করা হয়।