বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
কোনো কাজ করতে গিয়ে ভুল হলে বা নষ্ট হলে আবার প্রথম থেকে শুরু করাকে ‘কেঁচে গণ্ডুষ’ বলা হয়। গণ্ডুষ মানে এক কোষ জল, যা পূজার শুরুতে লাগে। অর্থাৎ গোড়া থেকে আবার শুরু করা।
Explanation
‘খেউড়’ এক ধরনের লোকগান হলেও, বাগধারায় ‘খেউড় গাওয়া’ বলতে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করা বা কটু কথা বলা বোঝায়। এটি সাধারণত ঝগড়ার সময় ব্যবহৃত হয়।
Explanation
প্রলয় মানে মহাধ্বংস, আর খণ্ড প্রলয় মানে ছোটখাটো ধ্বংসযজ্ঞ। বাগধারায় ‘খণ্ড প্রলয়’ বলতে তুমুল ঝগড়াঝাঁটি, মারামারি বা ভীষণ গণ্ডগোলকে বোঝানো হয়।
Explanation
‘হাত-ভারি’ বাগধারাটি কৃপণ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। যার হাত দিয়ে টাকা বের হতে চায় না বা যে টাকা খরচে অনিচ্ছুক, তাকে হাত-ভারি বলা হয়।
Explanation
‘অরণ্যে রোদন’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ বনে কান্না। কিন্তু আলংকারিক অর্থে এটি এমন কোনো আবেদন বা কান্নাকে বোঝায় যা কারো কানে পৌঁছায় না, অর্থাৎ বৃথা চেষ্টা বা নিষ্ফল আবেদন।
Explanation
রজ্জু বা দড়িকে সাপ মনে করা এক ধরনের দৃষ্টিভ্রম। এই দার্শনিক ধারণা থেকে ‘রজ্জুতে সর্পজ্ঞান’ বাগধারাটি এসেছে, যার অর্থ হলো ভুল বোঝা বা বিভ্রম।
Explanation
বারবার আসা এই প্রশ্নটি প্রমাণ করে ‘অরণ্যে রোদন’ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা। এর অর্থ এমন স্থানে অভিযোগ বা কান্না করা যেখানে শোনার কেউ নেই, অর্থাৎ নিষ্ফল আবেদন।
Explanation
কোনো কাজ চলাকালীন সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া বা কাজ বন্ধ করে দেওয়াকে ‘হাত গুটান’ বলা হয়। অর্থাৎ কার্যে বিরতি দেওয়া বা অংশগ্রহণ বন্ধ করা।
Explanation
গলা ধাক্কা দেওয়ার সময় হাতটি অর্ধচন্দ্রের মতো দেখায় বলে একে ‘অর্ধচন্দ্র’ বলা হয়। বাগধারা হিসেবে এটি কাউকে অপমানজনকভাবে বিদায় করা বা গলা ধাক্কা দেওয়া বোঝায়।
Explanation
‘ইতরবিশেষ’ শব্দটির অর্থ হলো ভেদাভেদ বা পার্থক্য। সাধারণত ‘ইতরবিশেষ নেই’ বাক্যাংশে এটি বেশি ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ‘কোনো পার্থক্য নেই’।