বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ধাতব তামা বিষাক্ত হতে পারে, কিন্তু বাগধারায় ‘তামার বিষ’ বলতে অর্থের কারণে সৃষ্ট নৈতিক অবক্ষয় বা কুপ্রভাবকে বোঝানো হয়। বিত্তের অহংকার এর মূল ভাব।
Explanation
‘খণ্ড প্রলয়’ বলতে ছোটখাটো কারণে বা স্থানে বিশাল গণ্ডগোল বা হাঙ্গামা বেধে যাওয়াকে বোঝায়। একে ‘তুমুল কাণ্ড’ বা ভীষণ ঝগড়াঝাঁটি বলা যায়।
Explanation
দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নেওয়া বা কোনো ঘটনার পর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে দূরে সরে থাকাকে ‘হাত ধুয়ে বসা’ বলা হয়। অপশন অনুযায়ী ‘সাধু সাজা’ এর উপযুক্ত অর্থ।
Explanation
‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটি চরম সৌভাগ্য বা সুসময় নির্দেশ করে। গ্রহ নক্ষত্রের শুভ অবস্থান থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে। অর্থাৎ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়া।
Explanation
‘তামার বিষ’ বারবার আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা। এর অর্থ হলো অর্থের কুপ্রভাব। প্রচুর টাকা হলে মানুষের স্বভাব অনেক সময় খারাপ হয়ে যায়, এটাই এর মূল কথা।
Explanation
আটকপালে ও ইঁদুর কপালে (হতভাগ্য), অকাল কুষ্মাণ্ড ও আমড়া কাঠের ঢেঁকি (অপদার্থ), ঢাকের কাঠি ও খয়ের খাঁ (চাটুকার)—এগুলো সমার্থক। কিন্তু গোঁফ খেজুরে (অলস) এবং কাছা ঢিলা (অসাবধান) পুরোপুরি এক নয়।
Explanation
রাবণের চিতা যেমন কখনোই নেভে না, তেমনি সংসারে বা জীবনে যে অশান্তি চলতেই থাকে, তাকে ‘রাবণের চিতা’ বা চির অশান্তি বলা হয়।
Explanation
‘গদাই লস্করি চাল’ বাগধারাটি দিয়ে খুব ধীর গতির কাজ বা আলসেমি বোঝানো হয়। যারা খুব ঢিমেতালে বা আয়েশ করে কাজ করে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
চিঠি বা পত্র পড়ার সাথে সাথেই যেমন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়, তেমনি ‘পত্রপাঠ’ বলতে অবিলম্বে বা তৎক্ষণাৎ কোনো কাজ করা বোঝায়। যেমন: ‘পত্রপাঠ বিদায় করা’।
Explanation
‘শকুনি মামা’ বাগধারাটি মহাভারতের চরিত্র শকুনি থেকে এসেছে, যিনি ষড়যন্ত্রে পটু ছিলেন। তাই কুচক্রী লোক বা যে অন্যের অনিষ্ট চিন্তা করে, তাকে শকুনি মামা বলা হয়।