বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘ঢাকের কাঠি’ ও ‘খয়ের খাঁ’—উভয় বাগধারাই চাটুকার বা মোসাহেব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই অর্থের দিক থেকে এদের মধ্যে মিল রয়েছে।
Explanation
‘উজানের কৈ’ বাগধারাটি দিয়ে এমন কিছু বোঝানো হয় যা সহজেই পাওয়া যায় বা হাতের নাগালে থাকে। কৈ মাছ উজানে চললে ধরা সহজ, সেখান থেকেই এই অর্থের উৎপত্তি।
Explanation
‘পটল তোলা’ মানে মারা যাওয়া। আর ‘ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া’ মানেও মারা যাওয়া বা জীবনের ইতি টানা। তাই এই দুটি বাগধারা সমার্থক।
Explanation
‘কচুবনের কালাচাঁদ’ দিয়ে এমন কাউকে বোঝানো হয় যার কোনো গুণ নেই বা যে অপদার্থ। এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক বাগধারা।
Explanation
একই প্রশ্ন পুনরায় এসেছে। ‘কচুবনের কালাচাঁদ’ বাগধারাটি অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
প্রাচীন ধারণা অনুযায়ী মানুষের শরীর পাঁচটি উপাদান (ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ, ব্যোম) দিয়ে তৈরি। মৃত্যুর পর শরীর এই পাঁচ উপাদানে মিশে যায় বলে মৃত্যুকে ‘পঞ্চত্বপ্রাপ্তি’ বলা হয়।
Explanation
‘তুলসী বনের বাঘ’ বাগধারাটি ভণ্ড বা কপটচারী ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। বাইরে সাধু সাজলেও ভেতরে যে হিংস্র বা শয়তান, তাকে এই নামে ডাকা হয়।
Explanation
যার হাত টাকা খরচের বেলায় ভারী হয়ে যায় বা চলে না, তাকে ‘হাত-ভারি’ বলা হয়। এটি কৃপণতা বা ব্যয়ে অনীহা প্রকাশ করে।
Explanation
বাগধারা মূলত বিশেষ অর্থবোধক বাক্যাংশ। তাই ব্যাকরণের আলোচনায় বাগধারা বাক্যতত্ত্বের (Syntax) অন্তর্ভুক্ত বিষয়। এটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
Explanation
এটি বাগধারা নয় বরং শব্দার্থ। ‘নারী’ (দীর্ঘ-ঈ কার) মানে স্ত্রীলোক। তবে প্রশ্নে ‘নারি’ (হ্রস্ব-ই কার) দেওয়া থাকলে তার অর্থ ভিন্ন হতে পারে (যেমন ‘নারি’ = পারি না, কবিতায় ব্যবহৃত)। কিন্তু অপশনে ‘স্ত্রীলোক’ থাকায় এটি বানান বিভ্রান্তি হতে পারে, তবুও সাধারণত নারী মানে স্ত্রীলোক।