বাগধারা - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

214 Total Questions
Back to Category
A
আশার কথা
B
সৌভাগ্যের বিষয়
C
মজা পাওয়া
D
আনন্দের বিষয়

Explanation

‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটি সৌভাগ্য বা সুসময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে বৃহস্পতি গ্রহের শুভ অবস্থানকে কেন্দ্র করে এই বাগধারার সৃষ্টি।

A
কোকিলের সুরলহরী
B
পল্লব
C
পায়ের পাতা
D
দেবতার আরাধনা

Explanation

সংগীতের সাতটি স্বরের মধ্যে পঞ্চম স্বর হলো ‘পা’। কোকিলের কণ্ঠস্বরকে সাহিত্যে পঞ্চম স্বরের সাথে তুলনা করা হয়। তাই ‘পঞ্চম স্বর’ মানে কোকিলের সুমিষ্ট কুহুতান বা সুরলহরী।

A
সৌখিন ব্যক্তি
B
নিরীহ ব্যক্তি
C
অপদার্থ
D
সাদাসিধা লোক

Explanation

‘কচুবনে কালাচাঁদ’ বাগধারাটি অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। সুন্দর চাঁদ যেমন কচুবনে মানায় না, তেমনি গুণহীন ব্যক্তিকে ব্যঙ্গ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

A
দিনের প্রথম ভাগ
B
আনন্দের বিষয়
C
বিপদে পড়া
D
সৌভাগ্যের বিষয়

Explanation

‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটি সৌভাগ্য বা সুসময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি নির্দেশ করে যে সময় এখন খুব ভালো যাচ্ছে বা ভাগ্য সুপ্রসন্ন।

A
অতিশয় অভদ্র
B
অপদার্থ
C
পার্থক্য
D
অভদ্র

Explanation

‘ইতর বিশেষ’ কথাটির অর্থ হলো পার্থক্য বা ভেদাভেদ। যেমন: ‘দুটো জিনিসের মধ্যে কোনো ইতর বিশেষ নেই’ মানে কোনো পার্থক্য নেই।

A
হতভাগ্য
B
ক্ষুধার্ত
C
রোগা
D
দরিদ্র

Explanation

‘হাভাতে’ মানে যার ভাতের অভাব। আর ‘হাড় হাভাতে’ মানে যে হাড়সুদ্ধ হাভাতে বা জন্মগতভাবে হতভাগ্য। এটি অত্যন্ত গরিব বা হতভাগ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

A
উভয় সংকট
B
শেষ বিদায়
C
চূড়ান্ত অশান্তি
D
চির অশান্তি

Explanation

‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি এমন অশান্তি বা দুঃখকে বোঝায় যা কখনো শেষ হয় না। রাবণের চিতা যেমন চিরকাল জ্বলছে বলে ধরা হয়, তেমনি এটি চিরস্থায়ী অশান্তির প্রতীক।

A
অরাজগ
B
অপদার্থ
C
মূল্যবান
D
অস্থির মানব মন

Explanation

‘মন না মতি’ বাগধারাটি মানুষের মনের চঞ্চলতা বোঝায়। যখন মনের কোনো স্থিরতা থাকে না বা মতিগতি ঠিক থাকে না, তখন একে অস্থির মানব মন বলা হয়।

A
শশুর
B
দাড়ি-গোঁফ
C
অশ্রু
D
শাশুড়ি

Explanation

‘শ্বশ্রু’ একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ শাশুড়ি। অন্যদিকে ‘শ্মশ্রু’ (বানানে ম-ফলা) মানে দাড়ি-গোঁফ। বানানের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল রাখা জরুরি।

A
সাপে - নেউলে
B
আদায়-কাচঁকলা
C
অহি - নকুল
D
উত্তম-মধ্যম

Explanation

সাপে-নেউলে, আদায়-কাঁচকলায় এবং অহি-নকুল—এই তিনটি বাগধারাই ‘শত্রুতা’ বোঝায়। কিন্তু ‘উত্তম-মধ্যম’ বাগধারাটির অর্থ ‘প্রহার করা’ বা ‘মারধর করা’, তাই এটি ভিন্নার্থক।