বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটি সৌভাগ্য বা সুসময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে বৃহস্পতি গ্রহের শুভ অবস্থানকে কেন্দ্র করে এই বাগধারার সৃষ্টি।
Explanation
সংগীতের সাতটি স্বরের মধ্যে পঞ্চম স্বর হলো ‘পা’। কোকিলের কণ্ঠস্বরকে সাহিত্যে পঞ্চম স্বরের সাথে তুলনা করা হয়। তাই ‘পঞ্চম স্বর’ মানে কোকিলের সুমিষ্ট কুহুতান বা সুরলহরী।
Explanation
‘কচুবনে কালাচাঁদ’ বাগধারাটি অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। সুন্দর চাঁদ যেমন কচুবনে মানায় না, তেমনি গুণহীন ব্যক্তিকে ব্যঙ্গ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটি সৌভাগ্য বা সুসময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি নির্দেশ করে যে সময় এখন খুব ভালো যাচ্ছে বা ভাগ্য সুপ্রসন্ন।
Explanation
‘ইতর বিশেষ’ কথাটির অর্থ হলো পার্থক্য বা ভেদাভেদ। যেমন: ‘দুটো জিনিসের মধ্যে কোনো ইতর বিশেষ নেই’ মানে কোনো পার্থক্য নেই।
Explanation
‘হাভাতে’ মানে যার ভাতের অভাব। আর ‘হাড় হাভাতে’ মানে যে হাড়সুদ্ধ হাভাতে বা জন্মগতভাবে হতভাগ্য। এটি অত্যন্ত গরিব বা হতভাগ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি এমন অশান্তি বা দুঃখকে বোঝায় যা কখনো শেষ হয় না। রাবণের চিতা যেমন চিরকাল জ্বলছে বলে ধরা হয়, তেমনি এটি চিরস্থায়ী অশান্তির প্রতীক।
Explanation
‘মন না মতি’ বাগধারাটি মানুষের মনের চঞ্চলতা বোঝায়। যখন মনের কোনো স্থিরতা থাকে না বা মতিগতি ঠিক থাকে না, তখন একে অস্থির মানব মন বলা হয়।
Explanation
‘শ্বশ্রু’ একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ শাশুড়ি। অন্যদিকে ‘শ্মশ্রু’ (বানানে ম-ফলা) মানে দাড়ি-গোঁফ। বানানের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল রাখা জরুরি।
Explanation
সাপে-নেউলে, আদায়-কাঁচকলায় এবং অহি-নকুল—এই তিনটি বাগধারাই ‘শত্রুতা’ বোঝায়। কিন্তু ‘উত্তম-মধ্যম’ বাগধারাটির অর্থ ‘প্রহার করা’ বা ‘মারধর করা’, তাই এটি ভিন্নার্থক।