বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
রামায়ণে রাবণের চিতা যেমন চিরকাল জ্বলতে থাকে বলে কথিত আছে, তেমনি সংসারে বা জীবনে যে অশান্তি বা দুঃখ কখনো শেষ হয় না, তাকে বোঝাতে ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
Explanation
ঢাক বাজানোর সময় মূল ঢাকের সাথে বায়া থাকে যা আলাদাভাবে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই ‘ঢাকের বায়া’ বাগধারাটি দিয়ে এমন বস্ত বা ব্যক্তিকে বোঝায় যার কোনো মূল্য বা প্রয়োজন নেই।
Explanation
‘গোঁফ-খেজুরে’ বাগধারাটি এমন অলস ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, যে গোঁফে খেজুর পড়লেও তা তুলে খেতে চায় না, অপেক্ষা করে কখন তা নিজে মুখে পড়বে। অর্থাৎ অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।
Explanation
‘অর্ধচন্দ্র’ বা ‘অর্ধচন্দ্র দেওয়া’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ আধখানা চাঁদ হলেও, এটি মূলত কারো গলার পেছনের দিকে হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া বা গলাধাক্কা দেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
যখন কোনো কাজ এমন কৌশলে করা হয় যেন উদ্দেশ্য সফল হয় কিন্তু কোনো ক্ষতি না হয়, তখন ‘সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে’ প্রবচনটি ব্যবহৃত হয়। এটি উভয় কূল রক্ষা করা বোঝায়।
Explanation
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’ প্রবচনটি সঠিক ও বহুল প্রচলিত। এর অর্থ হলো প্রয়োজনের অতিরিক্ত লোক বা কর্তা থাকলে কোনো কাজ সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয় না, বরং নষ্ট হয়।
Explanation
চাঁদের ষোলটি পর্যায় বা কলা আছে। ‘ষোলকলা’ বলতে চাঁদের পূর্ণ অবস্থাকে বোঝায়। বাগধারা হিসেবে এর অর্থ হলো পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে কোনো কিছু ঘটা বা পূর্ণতা পাওয়া।
Explanation
মহাভারতে শকুনি ছিলেন কৌরবদের মামা যিনি পাণ্ডবদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতেন। সেখান থেকেই ‘শকুনি মামা’ বাগধারাটি কুচক্রী বা ষড়যন্ত্রকারী আত্মীয় বা লোক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
কেউ যদি দীর্ঘকাল কোনো কাজ না করে হাত গুটিয়ে বসে থাকে, তবে রূপক অর্থে বলা হয় তার হাতে ঘাস বা দুর্বা গজিয়ে গেছে। তাই ‘হাতে দুর্বা গজানো’ হলো চরম আলসেমি বা নিষ্ক্রিয়তার লক্ষণ।
Explanation
গভীর বনে বা নির্জন অরণ্যে বসে কাঁদলে যেমন কেউ শুনতে পায় না বা কোনো কাজে আসে না, তেমনি কারো কাছে নিষ্ফল আবেদন বা বৃথা চেষ্টা করাকে ‘অরণ্যে রোদন’ বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।