বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
তাস দিয়ে ঘর বানালে তা যেমন সামান্য বাতাসেই ভেঙে পড়ে, তেমনি কোনো কিছু খুব সহজেই ধ্বংস হলে বা স্থায়ী না হলে তাকে ‘তাসের ঘর’ বলা হয়। এর অর্থ হলো অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী বস্তু।
Explanation
কীর্তন গানের শুরুতে শ্রীচৈতন্যদেবের বন্দনা বা গৌরচন্দ্রিকা গাওয়ার রীতি থেকে এই বাগধারার উৎপত্তি। কোনো মূল বিষয় শুরু করার আগে দীর্ঘ ভূমিকা বা অবতারণাকে ‘গৌরচন্দ্রিকা’ বলা হয়।
Explanation
চোখে বালি পড়লে যেমন খুব অস্বস্তি হয় এবং তা সহ্য করা যায় না, তেমনি অপ্রিয় বা বিরক্তিকর ব্যক্তিকে ‘চোখের বালি’ বলা হয়। এর সমার্থক বাগধারা হলো ‘চক্ষুশূল’।
Explanation
‘হাত ধুয়ে বসা’ বাগধারাটির অর্থ হলো কোনো কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া বা দায়িত্ব অস্বীকার করা। তবে অপশন অনুযায়ী এটি ‘সাধু সাজা’ বা নির্দোষ প্রতিপন্ন হওয়ার ভান করা অর্থেও ব্যবহৃত হতে পারে।
Explanation
তামা বা অর্থসম্পদ মানুষের চরিত্রে অনেক সময় খারাপ প্রভাব ফেলে। অর্থের অহংকার বা অনৈতিক ক্ষমতার দাপট বোঝাতে ‘তামার বিষ’ বা ‘অর্থের কুপ্রভাব’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
Explanation
মাছ ধরার সময় যেমন বড় মাছকে খেলিয়ে ক্লান্ত করে বশে আনা হয়, তেমনি কাউকে কৌশলে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা বা হয়রানি করে বশীভূত রাখাকে ‘লেজে খেলানো’ বলা হয়।
Explanation
কারও পদমর্যাদা বা ক্ষমতা বাড়লে যদি তার মধ্যে দেমাগ বা গর্ব দেখা দেয়, তবে তাকে ‘পায়াভারি’ বলা হয়। এই বাগধারাটি অহংকার বা গর্বিত স্বভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
ভেড়ার পালের সামনে থাকা ভেড়া যেদিকে যায়, পেছনেরগুলো বিচার না করে সেদিকেই যায়। একে ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বলে, যা দিয়ে অন্ধ অনুকরণ বা স্রোতে গা ভাসানো বোঝানো হয়।
Explanation
কাক খুব সতর্ক পাখি এবং ঘুমানোর সময়ও সজাগ থাকে। তাই যে ঘুমে মানুষ সামান্য শব্দেই জেগে ওঠে বা যে ঘুম গভীর নয়, তাকে ‘কাকনিদ্রা’ বা অগভীর সতর্ক নিদ্রা বলা হয়।
Explanation
‘নেই আঁকড়া’ বাগধারাটি দিয়ে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যে জেদি বা নাছোড়বান্দা স্বভাবের। কোনো কিছুতে একবার গোঁ ধরলে যে সহজে ছাড়ে না, তাকে একগুঁয়ে বা নেই আঁকড়া বলা হয়।