বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘শিরে সংক্রান্তি’ হলো একটি বাগধারা যার অর্থ মাথার ওপর বিপদ বা আসন্ন বিপদ। বাকি অপশনগুলো বিভিন্ন সময় বা উৎসবের নাম, যা বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
Explanation
‘ঘটিরাম’ বাগধারাটি এমন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যার কোনো যোগ্যতা বা বুদ্ধিমত্তা নেই। অর্থাৎ নিরেট মূর্খ বা অপদার্থ ব্যক্তিকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
Explanation
অন্যের ধামা বা বোঝা যে বহন করে, আক্ষরিক অর্থে সে সাহায্যকারী হলেও বাগধারায় ‘ধামাধরা’ মানে চাটুকার বা তোষামোদকারী। যে অন্যের মন জুগিয়ে চলে, তাকেই ধামাধরা বলা হয়।
Explanation
‘পটল তোলা’ একটি বহুল প্রচলিত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ সবজি তোলা হলেও, আলংকারিক অর্থে এটি মারা যাওয়া বা ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া বোঝায়। সাধারণত তুচ্ছার্থে এটি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
সাধারণত ১২ মাসে বছর হয়, কিন্তু যার কাজ শেষ হতে ১৮ মাস লাগে, তার স্বভাবকে ‘আঠারো মাসে বছর’ বলা হয়। এই বাগধারাটি কাজের দীর্ঘসূত্রতা বা কুঁড়েমি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘চক্ষুদান করা’ বাগধারাটি শুনতে ইতিবাচক মনে হলেও এর প্রয়োগ নেতিবাচক। এর অর্থ হলো চোখের আড়ালে কোনো কিছু চুরি করা বা আত্মসাৎ করা।
Explanation
‘ইঁদুর কপালে’ বাগধারাটির অর্থ হলো নিতান্ত মন্দভাগ্য। ইঁদুর যেমন সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকে এবং তার ভাগ্য অনিশ্চিত, তেমনি হতভাগ্য ব্যক্তিকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়। ‘আটকপালে’ অর্থও হতভাগ্য।
Explanation
‘বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?’—এই প্রবাদ থেকে ‘ম্যাও ধরা’ বাগধারাটির উৎপত্তি। এর অর্থ হলো কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কাজের বা কঠিন পরিস্থিতির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া।
Explanation
যে ব্যক্তির কোনো কাণ্ডজ্ঞান বা বিবেচনা নেই, কেবল জেদের বশে কাজ করে, তাকে ‘গোঁয়ার গোবিন্দ’ বলা হয়। এর দ্বারা হঠকারী ও কাণ্ডজ্ঞানহীন ব্যক্তিকে নির্দেশ করা হয়।
Explanation
ব্যাঙ সারাজীবন পানিতে থাকে, তাই তার সর্দি হওয়া অসম্ভব। এই ধারণা থেকেই ‘ব্যাঙের সর্দি’ বাগধারাটি উদ্ভূত হয়েছে, যার অর্থ হলো অসম্ভব কোনো ঘটনা বা ব্যাপার।