বাগধারা - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
আমসত্ত্ব আম দিয়ে তৈরি হয়, কাঁঠাল দিয়ে নয়। তাই ‘কাঁঠালের আমসত্ত্ব’ বলতে এমন কিছু বোঝায় যার কোনো অস্তিত্ব নেই বা যা হওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ এটি একটি অসম্ভব বস্তু।
Explanation
‘আটকপালে’ বাগধারাটি ভাগ্যহীনতা নির্দেশ করে। যার কপাল মন্দ বা যে জীবনে বারবার ব্যর্থতার শিকার হয়, তাকে ‘আটকপালে’ বা হতভাগ্য বলা হয়।
Explanation
মহাভারতের চরিত্র শকুনির স্বভাবের সাথে তুলনা করে, যে আত্মীয় বা ব্যক্তি অন্যের ক্ষতি করার জন্য ষড়যন্ত্র করে বা কুবুদ্ধি দেয়, তাকে ‘শকুনি মামা’ বা কুচক্রী লোক বলা হয়।
Explanation
পুতুল নাচের সময় যেমন আড়াল থেকে সুতো বা কলকাঠি নেড়ে পুতুলকে চালানো হয়, তেমনি গোপনে কাউকে প্রভাবিত করা বা কু-পরামর্শ দিয়ে চালানোকে ‘কলকাঠি নাড়া’ বলা হয়।
Explanation
যে ষাঁড়কে ধর্মের নামে ছেড়ে দেওয়া হয়, সে কোনো কাজ করে না, কেবল খেয়েদেয়ে ঘুরে বেড়ায়। এই উপমা থেকে সমাজে যারা কোনো কাজ না করে অকর্মণ্য হয়ে ঘুরে বেড়ায়, তাদের ‘ধর্মের ষাঁড়’ বলা হয়।
Explanation
‘ছ কড়া ন কড়া’ বা ‘ছকড়া নকড়া’ বাগধারাটি দিয়ে অত্যন্ত সস্তা বা তুচ্ছ মূল্য বোঝানো হয়। কোনো কিছু অবহেলায় বা খুব কম দামে বিক্রি করা হলে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘ধামাধরা’ বাগধারাটি এমন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যে নিজের স্বার্থে বা স্বভাবদোষে অন্যের অযৌক্তিক কথারও সমর্থন করে। তাই এর সঠিক অর্থ চাটুকারিতা বা মোসাহেবি।
Explanation
সাহিত্যে বা আলোচনায় মূল বিষয়ে প্রবেশের আগে যে আড়ম্বরপূর্ণ ভূমিকা বা অবতরণিকা দেওয়া হয়, তাকে ‘গৌরচন্দ্রিকা’ বলা হয়। এটি শ্রীচৈতন্যের বন্দনা গীতি থেকে আসা একটি বাগধারা।
Explanation
আকাশে যেমন কুসুম বা ফুল ফোটা সম্ভব নয়, তেমনি বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই বা যা ঘটা অসম্ভব, এমন অলীক ভাবনাকে ‘আকাশ-কুসুম’ বা অসম্ভব কল্পনা বলা হয়।
Explanation
বছরের শেষ দিন বা সংক্রান্তি যেমন অনিবার্য, তেমনি কোনো বিপদ যখন একেবারে ঘাড়ের ওপর বা মাথার ওপর এসে পড়ে, তখন তাকে ‘শিরে সংক্রান্তি’ বা আসন্ন বিপদ বলা হয়।