বাক্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘যেহেতু-সুতরাং’ ব্যবহার করে কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে। একটি অংশ অন্য অংশের ওপর নির্ভরশীল, যা জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
Explanation
‘যে... তাকে’ সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্যটি গঠিত হয়েছে। সাপেক্ষ সর্বনাম যুক্ত বাক্য সর্বদা মিশ্র বা জটিল বাক্য হয়।
Explanation
‘যেখানে... সেখানে’ এই সাপেক্ষ শব্দজোড় ব্যবহারের ফলে বাক্যটির দুটি অংশ পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, তাই এটি জটিল বাক্য।
Explanation
গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য তিন প্রকার। যথা: ১. সরল বাক্য, ২. জটিল বা মিশ্র বাক্য এবং ৩. যৌগিক বাক্য।
Explanation
এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য ‘কর্ম কর’ এবং ‘অনুরূপ ফল পাবে’ কমা দ্বারা পৃথক হলেও ভাবগতভাবে সংযোজক অব্যয় উহ্য আছে। দুটি স্বাধীন বাক্য হওয়ায় এটি যৌগিক বাক্য।
Explanation
দুটি বাক্যের মধ্যে অর্থের ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ থাকলে এবং সংযোজক অব্যয় না থাকলে তাদের মাঝে সেমিকোলন (;) বসে। এটি কমার চেয়ে বেশি বিরতি নির্দেশ করে।
Explanation
যে বাক্যে বক্তার ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়, তাকে প্রার্থনাসূচক বা ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে। এখানে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে।
Explanation
‘ধর্ম ও ন্যায়ের পথে চলো’ দ্বারা কোনো আদেশ বা অনুরোধ নয়, বরং সৎ পথে চলার পরামর্শ বা উপদেশ দেওয়া হয়েছে। তাই এটি উপদেশ অর্থে অনুজ্ঞা।
Explanation
বাক্যটিতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বেঁধে দেয়নি) রয়েছে। ‘মা ছিল না বলে’ অংশটি অসমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত বাক্যাংশ মাত্র, কোনো স্বাধীন খণ্ডবাক্য নয়। তাই এটি সরল বাক্য।
Explanation
‘সুরঞ্জনা, ওইখানে যেও নাকো তুমি’ - এই চরণে কবি জীবনানন্দ দাশ আকুতি বা অনুরোধের সুরে সুরঞ্জনাকে বারণ করেছেন। এটি আদেশের চেয়ে অনুরোধই বেশি প্রকাশ করে।