বাক্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ মতে গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার: সরল বাক্য, জটিল বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
Explanation
বাক্যটিতে ‘কি’ অব্যয় ব্যবহার করে এবং জিজ্ঞাসার মাধ্যমে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়েছে। তাই এটি প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নসূচক বাক্য।
Explanation
এখানে ‘নতুবা’ একটি বিয়োজক অব্যয় হিসেবে দুটি স্বাধীন বাক্যকে সংযুক্ত করেছে। স্বাধীন বাক্য এবং সংযোজক/বিয়োজক অব্যয় থাকলে তা যৌগিক বাক্য হয়।
Explanation
‘তবে’ এখানে সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করছে যা দুটি ছোট বাক্যকে যুক্ত করেছে। তাই এটি একটি যৌগিক বাক্য।
Explanation
বাক্যটি দীর্ঘ হলেও এতে একটিমাত্র কর্তা (তিনি) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (শিখেছেন) রয়েছে। তাই গঠনের দিক থেকে এটি সরল বাক্য।
Explanation
পরস্পর নিরপেক্ষ দুটি বাক্য ‘কিন্তু’ অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। এটি যৌগিক বাক্যের একটি সাধারণ উদাহরণ।
Explanation
‘হৃদয় মন্দির’ (মন্দির পাথরের বা পাকা) আর ‘বীজ বপন’ (ক্ষেতে করা হয়) - এই দুটি উপমা পরস্পর বিরোধী। মন্দিরে বীজ বোনা যায় না, ক্ষেতে বোনা যায়। তাই এটি উপমার ভুল প্রয়োগ।
Explanation
বাংলা ভাষায় তৎসম বা সাধু শব্দের সাথে দেশি বা চলিত শব্দের অশুদ্ধ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। যেমন: ‘গরুর গাড়ি’ (শুদ্ধ) কিন্তু ‘গরুর শকট’ (গুরুচণ্ডালী)।
Explanation
‘শব’ (তৎসম) এবং ‘দাহ’ (তৎসম) - দুটি একই রীতির শব্দ হওয়ায় ‘শবদাহ’ শুদ্ধ। কিন্তু ‘শবপোড়া’ (তৎসম+দেশি) গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত।
Explanation
‘সকল’ শব্দটি বহুবচনবাচক, আবার ‘গণ’ শব্দটিও বহুবচনবাচক। একই পদে দুইবার বহুবচন ব্যবহার করায় এটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট। শুদ্ধ রূপ হবে ‘আলেমগণ’ বা ‘সকল আলেম’।